বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাবা আর ভাইয়ের বিশ্বকাপ সাফল্য দেখে শন এখন আক্ষেপে পুড়তে পারেন। অস্ট্রেলিয়ার এতগুলো বিশ্বকাপ যে পরিবারে এসেছে, অথচ অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে খেলে একবারও যে সে গৌরব গায়ে মাখা হয়নি জিওফের দুই ছেলের বড়জন শন মার্শের।

বাবা জিওফের মতোই মিচেল বিশ্বকাপ জিতেছেন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসেই। বিশ্বকাপের অভিষেকেই দুজন অনন্য কীর্তি গড়েছিলেন। জিওফ ১৯৮৭ বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন। হয়েছিলেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। মিচেলও ২০১৫ বিশ্বকাপে বল হাতে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। ম্যান অব দ্য ম্যাচ অবশ্য হতে পারেননি। তবে সেদিন ঠিকই বাবার নাম উজ্জ্বল করেছিলেন।

বিশ্বকাপ অবশ্য এর আগেও একটা জিতেছেন মিচেল মার্শ, তবে সেটি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। ২০১০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়কই ছিলেন মার্শ। দুবাইয়ে কাল অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলের জশ হ্যাজলউড আর অ্যাডাম জাম্পাও ছিলেন ২০১০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী সেই দলে।

default-image

বাবার নাম উজ্জ্বল করেছেন শন মার্শও। বিশ্বকাপ জয় হয়তো হয়নি, কিন্তু দেশের হয়ে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ঠিকই খেলেছেন। জিওফ মার্শ একবার রসিকতা করে একটা কথা বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীকে প্রায়ই বলি, আমাদের আরও সন্তান নেওয়া উচিত ছিল। তাহলে সেটি অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটকেই লাভবান করত।’

এক মার্শ পরিবারই যা করেছে, সেটি অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের জন্য যথেষ্ট। বাবা-ছেলে মিলে চার বিশ্বকাপ, অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপও হিসেবে নিলে আসলে পাঁচটি বিশ্বকাপ—এটাও তো মুখের কথা নয়। শন মার্শ এখন খুব করেই চাইবেন সংখ্যাটা আরও একটু বাড়িয়ে নিতে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন