বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সেই ১৯৯৯ সালে অভিষেক হওয়া মালিক এই বয়সেও কীভাবে নিজেকে এমন ফিট রাখেন? এই প্রশ্ন সবার মনে। শুধু তা–ই নয়, পাকিস্তানের এই দলে অনেকেই মালিককে সবচেয়ে ফিট খেলোয়াড় মনে করেন। এই দলে আছেন দলের অধিনায়ক বাবর আজমও। টুর্নামেন্ট শুরুর আগের সংবাদ সম্মেলনে বাবর বড়মুখ করে জানিয়েছিলেন মালিকের ফিটনেসের কথা।


গতকাল স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দেওয়া ইনিংসের পর ম্যাচ শেষে আবারও মালিকের ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠল। প্রশ্ন উঠল, কীভাবে এখনো মালিক বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এভাবে খেলে যাচ্ছেন?

default-image

খোলাসা করলেন মালিক নিজেই, ‘দেখুন, সত্যি বলতে কী, আমি যখন আয়নায় নিজেকে দেখি, তখন নিজেকে ফিট হিসেবে দেখার একটা জেদ কাজ করে নিজের মধ্যে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমি এখনো ক্রিকেট খেলাটা উপভোগ করি। আর দলের জন্য ব্যাপারটা কাজেও দিচ্ছে। আপনি যদি ফিট থাকতে চান, আপনাকে প্রতিদিন অনুশীলন করতে হবে। আর আমি সেটাই করে যাচ্ছি।’


দলে প্রথমে ডাক পাননি। স্বাভাবিকভাবেই খারাপ লেগেছিল তাঁর। বিশ্বকাপ দলে প্রথমে ডাক না পাওয়ার পেছনে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে তাঁর বাজে পারফরম্যান্সেরও প্রভাব আছে অনেক। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে দশ ম্যাচ খেলেছিলেন। গড় ছিল মাত্র ৭.৪।

কিন্তু ওই হতাশা থেকে মালিক বেরিয়ে এসেছেন পারফরম্যান্স দিয়েই, ‘বিশ্বকাপের জন্য দল যখন ঘোষণা করা হলো, আমি তখন ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ খেলছিলাম। অবশ্যই আমার মন খারাপ হয়েছিল। হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। বিশ্বকাপের দলে যখন নিজের নাম দেখা যায় না, তখন অনেক খারাপই লাগে। তবে একজন পেশাদার খেলোয়াড় ও অ্যাথলেট হিসেবে আপনার লক্ষ্য থাকা উচিত সে হতাশা থেকে বেরিয়ে আসার।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন