default-image

১০-১২ দিন আগে শুনেছিলাম ফিল্ডিং কোচ গ্রান্ট লুডেনের সঙ্গে দলের সিনিয়র কয়েকজন সদস্যের একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে। কিন্তু সেটি তো মিটে গিয়েছিল। সেটা আবার আলোচনায় আসার মানে ভারতের কাছে হারের পর সম্ভবত আবার একচোট হয়েছে।
আমার বন্ধু ওয়াকার এখন প্রধান কোচ। পাকিস্তান দলকে কক্ষপথে ফিরিয়ে আনতে তাকে অনেক কিছুই করতে হচ্ছে এখন। তবে এই পর্যায়ে খেলোয়াড়দেরও নিজেদের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। সবাই প্রাপ্তবয়স্ক, কোচ কাউকে চামচে তুলে খাইয়ে দিতে পারবে না!
রাত সাড়ে ১০টার কার্ফ্যু আমার পছন্দ হচ্ছে না। একুশ শতকে এসব চলে নাকি? ইমরান ভাই (ইমরান খান) অধিনায়ক থাকার সময় তো আমাদের কোনো বিধিনিষেধ ছিল না।
পাকিস্তানের এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটা শাপেবর হতে পারে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখন রয়েছে শোচনীয় অবস্থায়। আমি জেসন হোল্ডারের অবস্থাটা বুঝতে পারি। ২৪ বছর বয়সে অধিনায়ক হয়ে সে সিনিয়র কারও সমর্থন পাচ্ছে না। আমি নিজেও এই অবস্থার মধ্য দিয়ে গেছি। মনে হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়েরা দেশের হয়ে খেলার চেয়ে আইপিএলের মতো লিগে খেলতেই বেশি উৎসাহী। এরপর তো পোলার্ড আর ব্রাভোকে বাদ দেওয়া হলো। এই অবস্থার জন্য দায়ী ওরাই। আমার মনে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ডের বিসিসিআইয়ের সঙ্গে বসা উচিত। ওদের বলা উচিত যেন দুই বছরের জন্য আইপিএলে কোনো ক্যারিবীয় ক্রিকেটার না নেওয়া হয়। দেশের হয়ে খেলাটাই সবার আগে, বাকি সব গৌণ। আমি ওয়াসিম আকরাম হয়েছি পাকিস্তানের জন্য, শচীন যেমন হয়েছে ভারতের জন্য।
ভারতের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানকে হারিয়ে ভারত অনেকটাই ফুরফুরে। সবাই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফেবারিট ভাবছে, তবে আমার মনে হয় ম্যাচটা খুবই জমবে। শামি ও যাদব মুগ্ধ করেছে আমাকে। দুজনেই ভালো গতিতে বল করেছে। তবে ভারতের প্রতি-আক্রমণের একটা পরিকল্পনাও থাকতে হবে। ওপেনারদের ১০ ওভারে ৪০ রান নিয়ে হলেও উইকেটে থাকা উচিত। ধোনি ও রায়না যাতে শেষ ওভারগুলোতে ব্যাট চালাতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আর জিম্বাবুয়ের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচটা থেকেও ভারত অনুপ্রেরণা নিতে পারে। জিম্বাবুয়ে তো দেখিয়েছেই, দক্ষিণ আফ্রিকা শীর্ষ পর্যায়ের দল হলেও অজেয় নয়। (টিসিএম)

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন