default-image

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পালা শেষ। শ্রীলঙ্কান দলের সবাই এখন শনিবার হ্যাগলি ওভালে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে উদ্বোধনী ম্যাচের দিকে তাকিয়ে। কিউইরা সম্প্রতি অনেক ভালো ক্রিকেট খেলছে, স্বাগতিক হিসেবে তাদের বাড়তি একটা উদ্দীপনাও থাকবে। কাজটা আমাদের জন্য কঠিন হলেও আমরা রোমাঞ্চিত।
গত কয়েক সপ্তাহে আমাদের প্রস্তুতিটা ঠিক আদর্শমানের হয়নি। বোলারদের ফিটনেস নিয়ে সমস্যা আছে। আমরা যেভাবে চাই, ঠিক সেভাবে খেলতে পারিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক অবস্থা থেকে শিক্ষা নেওয়ার মতো অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। আর আমাদের দলটা যথেষ্টই শক্তিশালী। আরও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, আইসিসির টুর্নামেন্টগুলোয় আমাদের আত্মবিশ্বাসটা বেশিই থাকে। গত কয়েক বছর খেয়াল করলে দেখবেন, ৫০ অথবা ২০ ওভারের বিশ্ব আসরগুলোয় আমরা সেরা ক্রিকেটটাই খেলেছি। চাপের মধ্যে ভালো খেলতে আমরা পছন্দ করি। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস জোগায়, যা বয়ে নিয়ে নামছি উদ্বোধনী ম্যাচে।
লাসিথ মালিঙ্গার ফেরাটা আমাদের জন্য বাড়তি প্রেরণা। বোলিং আক্রমণের সে একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভারত, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজগুলোয় আমরা তাকে কী মিসটাই না করেছি! সে আমাদের অনেক ম্যাচ জিতিয়েছে, বিশেষ করে ‘ডেথ ওভার’-এ অসাধারণ বোলিং করে। অনেক দিন ক্রিকেটের বাইরে থাকায় আমরা হয়তো তার সেরাটা এখনই পাব না। কিন্তু তাকে ফিরে পাওয়াটাই অনেক।
এবারের বিশ্বকাপ অনেক বেশি রোমাঞ্চকর হতে যাচ্ছে। কয়েকটি দল সত্যিকারের জয়ের আকাঙ্ক্ষায় নামবে। সন্দেহ নেই, এটা স্মরণকালের সবচেয়ে উন্মুক্ত একটা টুর্নামেন্ট হবে। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের ওয়ানডে দল অনেক শক্তিশালী। দক্ষিণ আফ্রিকারও ম্যাচ জেতানো অসাধারণ কিছু খেলোয়াড় আছে। আর ভিন্ন কন্ডিশনে খেলার চ্যালেঞ্জটা নেওয়ার মতো অনেক মেধাবী খেলোয়াড় আছে ভারত ও পাকিস্তানের।
আমি বলব, ক্রিকেটের জন্য একটা বড় সপ্তাহ অপেক্ষা করছে। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড, ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচগুলো হবে রোমাঞ্চকর। ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ অসাধারণ, তাদের ফাস্ট বোলিংও যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক ভালো।
কাগজে-কলমে আপনি যতই শক্তিশালী হোন না কেন, এ রকম বড় টুর্নামেন্টে আপনার মাঠের পারফরম্যান্সই আসল। আমরা অবশ্য খুব বেশি ভাবছি না। আমরা ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চাই, মনোযোগ ধরে রাখতে চাই পুরোপুরি। অতীতেও আমরা এমন করে সফল হয়েছি। এবারও তাই করব। আশা করি সফলও হব। (গেম প্ল্যান)।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন