বিজ্ঞাপন

মুশফিক ২০১২ বিপিএলে খেলেছেন দুরন্ত রাজশাহীর হয়ে। ২০১৩ বিপিএলে খেলেছেন সিলেট রয়্যালসের পক্ষে। মাঝে এক মৌসুম বিপিএল হয়নি। ২০১৫ বিপিএলে মুশফিককে নেয় সিলেট সুপার স্টারস। পরের মৌসুমে খেলেন বরিশাল বুলসের হয়ে। ২০১৭ বিপিএলে রাজশাহী কিংস, ২০১৮ বিপিএলে মুশফিক খেলেছেন চিটাগং ভাইকিংসে। গত বিপিএলে তাঁর দল ছিল খুলনা টাইগার্স। আর এবার বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানকে নিয়েছে বেক্সিমকো ঢাকা।

গত আট বছরে আটটি দলে খেললেও মুশফিকের কখনো পাওয়া হয়নি শিরোপার স্বাদ। গতবার খুলনা টাইগার্সের হয়ে ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জেতা হয়নি তাঁর, হেরেছিলেন রাজশাহী রয়্যালসের কাছে। তবে ব্যাটসম্যান হিসেবে টুর্নামেন্টটা তাঁর দুর্দান্তই গেছে, ১৪ ম্যাচে ৭০.১৪ গড়ে করেন ৪৯১ রান। মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন তাঁর সতীর্থ ব্যাটসম্যান রাইলি রুশো। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মুশফিকের টুর্নামেন্ট খারাপ গেছে, গত পাঁচ-ছয় বছরে এমন ঘটনা কমই আছে। এই তো সর্বশেষ বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপেও তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। দলও উঠেছিল ফাইনালে। কিন্তু কেন যেন শিরোপাটা অধরাই রয়ে গেছে তাঁর!

কথায় বলে, শিরোপা জিততে হলে ‘চ্যাম্পিয়নস লাক’ লাগে। গত আট বছরে মুশফিকের যে সেটা ছিল না, সেটি রেকর্ডই বলে দিচ্ছে। ভাগ্যের সহায়তা অতীতে পাননি বলে এবারও পাবেন না, এমন কোনো কথা নেই। মুশফিক তাই আশাবাদী, এবার নিশ্চয়ই ভিন্ন গল্পই হবে। কাল বেক্সিমকো ঢাকার হয়ে এক ভিডিও বার্তায় মুশফিক আশাবাদী কণ্ঠে বলেছেন, ‘এই প্রথমবারের মতো বেক্সিমকো ঢাকায় খেলতে যাচ্ছি। আমাদের দলটা তরুণ ও অভিজ্ঞের মিশেলে দারুণ সমন্বয় হয়ে আছে। বেক্সিমকো সব সময়ই শিরোপা জিততে লড়াই করে, এবারও সেটার ব্যতিক্রম হবে না। আমরা অবশ্যই সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যেন ফাইনাল খেলতে পারি এবং শিরোপা জিততে পারি। আর আমি আমার সুনাম অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করব এবং কাঙ্ক্ষিত ফল আনার চেষ্টা করব।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন