default-image

২২ এপ্রিল বিকেএসপিতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ক্রিকেট কোচিং স্কুলের (সিসিএস) বিপক্ষে প্রাইম দোলেশ্বরের প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে নাসির হোসেন ঠিকই নেমেছিলেন। তবে ততক্ষণে ম্যাচ শেষ! তাঁর ব্যাটিংয়ে নামার আগে ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেনের অসাধারণ সেঞ্চুরিতে দোলেশ্বর পেয়ে গেছে ৮ উইকেটের বড় জয়।
‘প্যাড-গ্লাভস যখন পরেছি, একটু ঝালিয়ে নিই’—এমন ভাবনাতেই কি না, মাঝ উইকেটের পাশে খানিকক্ষণ নক করলেন নাসির। কিন্তু দুধের স্বাদ কি আর ঘোলে মেটে! ফতুল্লায় পরের ম্যাচে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে স্বরূপে ফিরলেন নাসির। যদিও মাত্র ৩ রানের জন্য বঞ্চিত হয়েছেন সেঞ্চুরি থেকে।
তবে আসল ‘ফিনিশার’ নাসিরের দেখা গেছে বিকেএসপিতে ব্রাদার্সের বিপক্ষে। সেদিন অপরাজিত ৪৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই ফিরেছেন। দুই ম্যাচে ১৪৫ রান করা নাসিরের গড়টা স্বাভাবিকভাবেই এ মুহূর্তে চোখ কপালে তোলার মতো—১৪৫.০০! মাঝে সময়টা বেশ খারাপই গেছে নাসিরের। আবারও ছন্দে ফিরে তাঁর মুখে এখন খুশির আভা, ‘অবশ্যই ভালো লাগছে। নিজের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। ভালো খেলার জন্য যা করা দরকার করছি, কঠোর পরিশ্রম করছি। আমাদের কোচিং স্টাফ আমাকে সাহায্য করছে।’

দুই ম্যাচে নাসিরের ব্যাটিং বলে দিচ্ছে, সুযোগ পেলে তিনি কাজে লাগাতে কতটা পারদর্শী। সামনের ম্যাচেও ছন্দ ধরে রাখতে চান দোলেশ্বরের এই তারকা ব্যাটসম্যান, ‘সামনে এভাবেই খেলে যেতে চাই। সবচেয়ে বড় কথা, যে পারফরম্যান্সই করি না কেন, দলকে সাহায্য করতে পারলে খুব ভালো লাগে।’
ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংটাও মন্দ হচ্ছে না তাঁর। নিয়মিত কৃপণ বোলিং তো আছেই, নিয়েছেন ৪ উইকেট। লিগের এখনো অনেক পথ বাকি। এই ধারাবাহিকতা সামনে ধরে রাখাই হবে নাসিরের আসল চ্যালেঞ্জ।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন