বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ, আফিফ হোসেনরাও সঙ্গ দিতে পারেননি। সাকিব শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতিয়ে ফিরেছেন সাইফউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে।

নিজের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে সাকিব কৃতিত্ব দিয়েছেন সাইফউদ্দিনকেও, ‘আজ আমার দায়িত্ব নেওয়ার পালা ছিল। আমি তা করতে পেরে খুশি। তবে অনেকটা কৃতিত্ব সাইফউদ্দিনকে দিতে হয়। সে যেভাবে খেলেছে সেটা এককথায় দারুণ। সে অনেক ঠান্ডা মাথায় খেলেছে। ৭ উইকেট হারানোর পর ব্যাটিং করা সহজ ছিল না। শেষ ১০ ওভারে ৬০-৭০ রান দরকার ছিল আমাদের। আমি বেশির ভাগ কৃতিত্ব তাকেই দেব।’

উইকেট আগের দিনের শুরুর মতো কঠিন ছিল না, দেখে মনে হয়েছে সহজই। তবে এ উইকেটের আচরণ একটু আলাদা ছিল বলেই জানিয়েছেন সাকিব।

default-image

‘উইকেট আসলে একটু ভিন্ন ছিল। বল ব্যাটে আসছিল না। রান করার জন্য আপনাকে শট খেলতে হতো। ব্যাটসম্যান হিসেবে মানিয়ে নিতে হয়েছে। আমি খুশি যে যেমন মানিয়ে নেওয়া দরকার ছিল এমন উইকেটে, সেটা করতে পেরেছি। সময় নিয়েছি। নিয়মিত যেহেতু উইকেট পড়ছিল, আমি বেশি কিছু করতেও পারতাম না। কৃতিত্ব দিতে হয় সাইফউদ্দিনকে, সে যেভাবে আমার সঙ্গে থেকে খেলাটা শেষ করেছে সেটা দারুণ ছিল’ - বলেছেন সাকিব।

এ ম্যাচের আগে নিজের পরিবর্তন নিয়েও বলেছেন তিনি, ‘পরিশ্রম তো করতেই হয়। মানসিকতাটা এসব ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগের ম্যাচগুলোতে হয়তো আমি অনেক বেশি চিন্তা করছিলাম। সেটা এই ম্যাচের আগে একটু পরিবর্তন এনেছি। কিছু কিছু জিনিস ছিল যা আমাকে সহায়তা করেছে এই ম্যাচের আগে, যেন আমি মনোযোগটা রাখতে পারি। চেষ্টা করব এই মনোযোগটা যেন ধরে রাখতে পারি।’

default-image

ব্যাটিংয়ে কৌশলগত তেমন পরিবর্তন এখন আর প্রয়োজন হয় না, মনে করিয়েছেন সেটিও, ‘এত দিন খেলার পর আমি যে অবস্থানে আছি, আমার খুব একটা কৌশলগত পরিবর্তন দরকার হয় না। মানসিক সমস্যাগুলোই বেশি হয়। মানসিক খেলায় যদি আমি নিজের সঙ্গে নিজে জিততে পারি তাহলে রান করা সম্ভব।’

এমন একটা ইনিংস যে তাঁর দরকার ছিল, সাকিব মানছেন সেটি, ‘খুবই দরকার ছিল রানটা। যেহেতু দলের জয়ের জন্য খুব দরকার ছিল, তাই আমি সেদিক থেকে খুবই খুশি। কোনোটা থেকে কোনোটা কম না। সব সময়ই চেষ্টা থাকে যে ভালো করার।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন