বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সে ক্ষেত্রে ওমানের কন্ডিশনে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটটা কেমন হতে পারে, সে সম্পর্কে মাহমুদউল্লাহদের ভালোই ধারণা হয়েছে। আজ বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় দলের পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের কথায় সেটাই বোঝা গেল, ‘যেহেতু প্রথমবারের মতো ওমানে এসেছি, কন্ডিশনটা একটু অচেনা ছিল। তারপরও প্রথম তিন চার দিন অনুশীলন করে কিছুটা মানিয়ে নিতে পেরেছি। যদিও আমরা দিনে অনুশীলন করেছি, রাতে তেমন সুযোগ ছিল না।’

ওমান ‘এ’ দলের বিপক্ষে গতকালের প্রস্তুতি ম্যাচে ৪ ওভার বোলিং করে অবশ্য রাতে অনুশীলনের ঘাটতি পুষিয়ে নিয়েছেন সাইফউদ্দিন। রাতের বেলা খেলাটা কেমন হতে পারে, সেটি এখন বাংলাদেশ দলের জানা, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ-ছয় ওভার যাওয়ার পর মাঠ ভেজা ছিল। কিছুটা শিশির ছিল, যেটা চট্টগ্রামে বিপিএল খেলার সময় পেতাম। এটা আশা করিনি। তারপরও মানিয়ে নিয়েছি যেহেতু চট্টগ্রামে বিপিএল খেলেছি শিশিরের মধ্যে। ওই অভিজ্ঞতাটা কাজে লাগিয়েছি।’

default-image

ওমানে ‘চট্টগ্রাম’ খুঁজে পাওয়ার সুবিধাটা হয়তো বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পক্ষেই কথা বলবে। রাতের ম্যাচে টস হয়ে উঠবে গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো অধিনায়কই টসে জিতে পরে ব্যাট করতে চাইবেন। শিশিরের মধ্যে বোলিংয়ের চেয়ে ব্যাটিংটাই যে বেশি সুবিধার, ‘উইকেট কিছুটা ব্যাটিং সহায়ক ছিল। বিশেষত সাত-আট ওভার যাওয়ার পর কিছুটা ব্যাটিং সহায়ক উইকেট হয়ে যায়। কারণ, বলটা শিশিরের কারণে ভিজে যায়। এই ম্যাচটা আমাদের জন্য খুব উপকার হয়েছে। কারণ, প্রথম পর্বে দুটি ম্যাচই রাতে। আমরা এখন থেকে আরও বেশি প্রস্তুতি নেব।’

এ ধরনের কন্ডিশনের জন্য সাইফউদ্দিন নিজের বোলিংয়ের জন্য আলাদা পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছেন। বিশেষ করে বোলিংয়ের ক্ষেত্রে ইনিংসের তিন ধাপের জন্যই নিজেকে প্রস্তুত করছেন তিনি, ‘আমি যদি প্রথম পাওয়ারপ্লেতে বল করি, চেষ্টা থাকবে রান কম দেওয়ার। যদি শেষের দিকে বল করি, তাহলে ৮-৯ রানের বেশি দিতে চাই না। এটা বাড়তি কোনো চাপ না। যখনই অধিনায়ক সুযোগ দেবে। দায়িত্ব পালনই সবার লক্ষ্য।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন