default-image

ম্যাচটা ইংল্যান্ড বনাম নিউজিল্যান্ড না বলে ‘ইংল্যান্ড বনাম টিম সাউদি’ বলাই ভালো! কিউই পেসারের তোপে রীতিমত দিশেহারা ইংলিশরা। সাউদির রেকর্ড বোলিংয়ে ইংল্যান্ড গুটিয়ে গিয়েছে মাত্র ১২৩ রানে।
লক্ষ্যটাকে মামুলি বানিয়ে উড়ন্ত সূচনা করেছে নিউজিল্যান্ড। সর্বশেষ, ব্লাকক্যাপসদের সংগ্রহ ৩.৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৫১ রান।
ওয়েলিংটনের ফ্লাট পিচ দেখেই কিনা টসে জিতে প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেন ইংলিশ অধিনায়ক এউইন মরগান। কিন্তু ইংলিশ অধিনায়কের সিদ্ধান্তটা ভুল প্রমাণে রুদ্ররূপে হাজির হলেন সাউদি। গতির সঙ্গে সর্পিল সুইংয়ে একের পর এক আঘাত কিউই পেসারের। সাউদির বল এতটা দুর্বোধ্য হয়ে উঠল, যেন ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের অসাহয় আত্মসমার্পণ ছাড়া কিছুই করার নেই! ৫৭ রানে ৩ উইকেট হারানোর পরও প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন মরগান ও জো রুট। দুজনের চতুর্থ উইকেটে আসে ৪৭ রান। কিন্তু এ জুটি ভাঙার পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইংলিশদের ব্যাটিং লাইন আপ। ৩ উইকেটে ১০৪ থেকে ১২৩ রানে অলআউট—মাত্র ১৯ রানেই ৭ উইকেটের পতন। এই সাতটির পাঁচটিই সাউদির দখলে। ইনিংসে কিউই পেসারের বোলিং ফিগার ৯ ওভারে ৩৩ রানে ৭ উইকেট।
অল্পের জন্য দারুণ এক রেকর্ড গড়া হলো না সাউদির। বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডটি গ্লেন ম্যাকগ্রার। ২০০৩ বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিপক্ষে ১৫ রানে ৭ উইকেটে নিয়েছিলেন অস্ট্রেলীয় কিংবদন্তি পেসার। ২০ রানে ৭ উইকেট নিয়ে ম্যাকগ্রার পরই অবশ্য অ্যান্ডি বিকেল রয়েছেন। বিকেল ২০০৩ বিশ্বকাপে এই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ২০ রানে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট। এরপরই সাউদির অবস্থান। তবে সাউদির সাফল্যের মাহাত্ম্য নিশ্চয় অন্যরকম। কারণ, নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ওয়ানডেতে এটাই সেরা বোলিং। আগের রেকর্ডটি ছিল শেন বন্ডের। ২০০৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন বন্ড।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন