এমনিতে আইসিসির সহযোগী সদস্য বলে মর্যাদায় ‘পুঁচকে’। কিন্তু বিশ্বকাপ মঞ্চে এলেই ‘বড়’ হয়ে ওঠে আয়ারল্যান্ড, ‘দৈত্যহন্তারক’ তকমা জোটে তাদের। ২০০৭ সালে অভিষেকের পর থেকেই ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর আইরিশদের দুহাত ভরে দিয়েছে। ২০০৭ সালে প্রথমবার নেমেই পাকিস্তানকে হারিয়ে উঠেছিল সুপার এইটে। গত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের মহাকাব্যিক জয়টা তো ক্রিকেট-পুরাণের অংশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সে রকম কিছু ফিরে আসবে কি না সেই ইঙ্গিত হয়তো অনেকটাই পেয়ে গেছেন। নিউজিল্যান্ডের নেলসনে আজ ভোররাত ৪টায় যে শুরু হয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-আয়ারল্যান্ড ম্যাচটি।
প্রথম দুই বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এখন যে অবস্থা, তাতে আইরিশদের আশার পালে খানিকটা হাওয়া লাগতেই পারে। সুনীল নারাইন ও ডোয়াইন ব্রাভোবিহীন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সময়টা ভালো যাচ্ছে না একদমই। প্রস্তুতিপর্বেও তারা আশার ছবি আঁকতে পারেনি, প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পর স্কটল্যান্ডের সঙ্গে জিততে ঘাম ছুটে গেছে। আইরিশ অধিনায়ক উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের গলাটাও তাতে চড়তে পেরেছে, ‘আমার মনে হয় অনেক দিন থেকেই খেলছি, সবাই সবাইকে খুব ভালোমতো চিনি। আমাদের সম্পর্কে জানে না, এ রকম খুব বেশি দলও নেই। আমার তো মনে হয় আমরা জিতলে তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। আমরা প্রতিটি ম্যাচ জেতার জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
প্রস্তুতি ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারলেও বাংলাদেশকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই ফিরে পেয়েছে আয়ারল্যান্ড। সেটার স্ফুরণ প্রথম ম্যাচেই কি দেখাতে পারবে তারা? রয়টার্স।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন