বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজির একাদশ থেকে বাদ পড়া এবং বিশ্বকাপসেরা খেলোয়াড় হওয়া—এ তো মুদ্রার দুই পিঠ দেখার মতোই। আর ওয়ার্নার যে এমনটা করবেন, সেটা আগেই জানতেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ!

কালকে ফাইনাল শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে ফিঞ্চ জানান, কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারকে নাকি আগেই বলেছিলেন এ কথা, ‘আপনারা কেউই নিশ্চয়ই আশা করেননি যে ও (ওয়ার্নার) টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় হবে? আমি কিন্তু জানতাম ও-ই হবে টুর্নামেন্টসেরা। বিশ্বাস করুন, আমি সত্যি বলছি। কয়েক মাস আগে আমি জাস্টিন ল্যাঙ্গারকে কল দিয়ে বলেছিলাম যে “ডেভিকে নিয়ে চিন্তা করো না, সে এই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হবে।”’

default-image

সেরাই হয়েছেন ওয়ার্নার। এই বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচ খেলে ৪৮.১৬ গড়ে করেছেন ২৮৯ রান। তিনি কতটা ভালো খেলেছেন, সেটা বোঝা যায় স্ট্রাইক রেট দেখেই, ১৪৬.৭০। এই রান করার পথে তিনি ভেঙেছেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। এর আগে ২০০৭ বিশ্বকাপে ২৬৫ রান করে এ রেকর্ডের মালিক ছিলেন সাবেক ওপেনার ম্যাথু হেইডেন।


ওয়ার্নার টুর্নামেন্ট সেরা হবে, এটা আগে থেকে বুঝতে পারলেও ফিঞ্চের চোখে এই বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় নন তিনি। ফিঞ্চ মনে করেন, এই ট্রফি আরেক অস্ট্রেলীয় অ্যাডাম জাম্পার প্রাপ্য। ফিঞ্চের তা মনে না হওয়ার কোনো কারণও নেই। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই দারুণ বোলিং করেছেন জাম্পা, মোট ৭ ম্যাচ খেলে তুলে নিয়েছেন ১৩ উইকেট। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন মাত্র ৫.৮১ করে, এবং প্রতি ১২.৪ বলে পেয়েছেন একটি করে উইকেট। ইনিংসের মাঝের ওভারগুলোয় প্রতিপক্ষের রানের লাগাম টেনে ধরার মূল কারিগর ছিলেন।

default-image

সংবাদ সম্মেলনে ফিঞ্চ তাই অকপটে স্বীকার করে নিলেন জাম্পার শ্রেষ্ঠত্ব, ‘আমার চোখে অ্যাডাম জাম্পা এ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়। সে খেলাগুলো নিয়ন্ত্রণ করেছে, বড় বড় উইকেট তুলে নিয়েছে, দুর্দান্ত খেলোয়াড়!’


কয়েক দিন আগেই জাম্পা বলেছিলেন, তাঁকে নাকি গুরুত্ব কম দেওয়া হয়। সিরিজসেরা নির্বাচনের সময়ও তাঁর সঙ্গে এমনটা হলো কি না, সেটা একটা প্রশ্নই বটে। কিন্তু আপাতত সবাই এসব ভুলে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দেই যে বুঁদ হয়ে থাকবেন, তা বলাই বাহুল্য!

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন