বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেটা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০০৫ সালের বক্সিং ডে টেস্ট। সাইমন্ডস বলেন, ‘আমরা টেস্ট খেলছিলাম। সম্ভবত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বক্সিং ডে টেস্ট। তৃতীয় দিনে তার কামরায় গিয়ে দেখি খেলার সব সরঞ্জাম মেঝেতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে। সে প্রচুর মোজা ও কেডস ব্যবহার করত। মেঝেতে ছড়িয়ে থাকা মোজার মধ্যে একটি ব্যাগও ছিল, ১০০ ডলারের মোড়ানো নোটে ভর্তি ছিল ব্যাগটি।’

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৬ টেস্ট ও ১৯৮ ওয়ানডে খেলা সাইমন্ডস অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলে ৯ বছর ওয়ার্নের সতীর্থ ছিলেন। কিংবদন্তি লেগ স্পিনারের জীবনযাত্রা সমন্ধে সাইমন্ডসের জানা ছিল। তবু তিনি অবাক হয়েছিলেন। হুট করে ব্যাগভর্তি টাকা ওভাবে হোটেলের মেঝেতে সচরাচর কেউ ফেলে রাখে না।

হাসতে হাসতে সাইমন্ডস বলেন, ‘ব্যাগটা আমার মনোযোগ কেড়ে নেয়। ব্যাগের মধ্যে শুধু মোড়ানো টাকা আর টাকা!’

সাইমন্ডস কৌতূহল দমিয়ে রাখতে পারেননি। সতীর্থকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ঘটনা কী?’ নিরুত্তাপ কণ্ঠে ওয়ার্নের জবাব, ‘ওহ, গত রাতে ক্যাসিনোয় একটু জিতেছি। তুমি তো জানো, টাকাই সবকিছু।’

এ ঘটনা জানিয়ে সাইমন্ডস নিজের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘ওখানে প্রায় ৪০ হাজার ডলার পড়ে ছিল।’ ক্যাসিনোয় পোকার খেলার প্রতি টান ছিল ওয়ার্নের। ক্রিকেট ছাড়ার পর পোকার খেলার পেশাদার জগতেও নাম লিখিয়েছিলেন ওয়ার্ন।

২০০৫ সালে সেই বক্সিং ডে টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ১৮৪ রানের জয়ে ৫৪ বলে ৭২ রানের ইনিংস খেলেন সাইমন্ডস। ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ওয়ার্ন।

তাঁকে নিয়ে সাইমন্ডসের উপলব্ধি, ‘সে সাধারণ কেউ ছিল না। একজন উদার মানুষ, যে পছন্দের কাউকে সব সময় সাহায্য করতে চাইত। আমি তার সেই পছন্দের মানুষদের মধ্যে থাকতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন