বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আগামী দিন বেঞ্চের খেলোয়াড়দের সুযোগ পেতে দেখতে চাই। পাঁচটি ম্যাচে শামীমকে সুযোগ দেওয়া যায়নি। তাকে হয়তো আফিফের জায়গায় আনা যেতে পারে, যেহেতু মুশফিক বা মাহমুদউল্লাহকে বাদ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমি আফিফ বা নুরুল কাউকেই বাদ দিতে চাই না। এরা ভবিষ্যৎ।

আগের দিন ওপেনিংয়ে নুরুলের কথা বলেছি, তবে আফিফও একটা বিকল্প হতে পারে। লিটনকে আজও খেলানো হলে সেটা অতিরিক্ত হয়ে যাবে। এটা খেলার মূলনীতির সঙ্গেই সাংঘর্ষিক, ফর্মের বাইরে থাকা কাউকে এভাবে টানা খেলানো। দলে জায়গা পেতে কারও মেধা মানদণ্ড হতে পারে না, পারফরম্যান্স অবশ্যই দরকার।

টুর্নামেন্টে একটু দাঁড়িয়ে থাকার শেষ ও বেশ ছোট একটা সুযোগ দেখছি এ ম্যাচে। না হলে পরের দুই ম্যাচের লড়াইয়ের সামর্থ্যও থাকবে না।
বাংলাদেশ দলের সম্ভাবনা নিয়ে গাজী আশরাফ হোসেন

আফিফকে মিডল অর্ডারে ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে। তাকে ওপেনিংয়ে এনে আরেকটু মুক্তভাবে খেলতে দেওয়া হোক। শরীফুল, নাসুমকেও রেখে দেওয়া উচিত।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুযোগ দিতে পারে, তবে সেটা নিতে হবে। মাঠ ছোট বলে ওদের মিসহিটও বাউন্ডারি হয়ে যেতে পারে, ফলে ভালো উইকেটে বড় স্কোরের বিকল্প নেই। ভালো উইকেটে ওরা আগে ব্যাটিং করলে তেমন সুযোগ দেখি না। ক্রিস গেইল, কাইরন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল বা ডোয়াইন ব্রাভো—এরা ওল্ড হর্স। এদের অভিজ্ঞতা বদলে দিতে পারে অনেক কিছু।

default-image

তবে উইকেট একটু ধীরগতির হলে আমাদের একটু সুযোগ আছে। অবশ্য জেসন হোল্ডারের দলে আসা ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য একটা ভাবনার কারণ বাংলাদেশের জন্য। তার মতো অলরাউন্ডারকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুতে বাদই দিয়েছিল কেন, জানি না!

আমাদের শরীরী ভাষা দেখে বিধ্বস্ত মনে হচ্ছে। দুর্দান্ত কোনো পারফরম্যান্স এটা থেকে বের হওয়ার উপায়। তবে এ ম্যাচের ওপর পরের দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সও নির্ভর করছে। টুর্নামেন্টে একটু দাঁড়িয়ে থাকার শেষ ও বেশ ছোট একটা সুযোগ দেখছি এ ম্যাচে। না হলে পরের দুই ম্যাচের লড়াইয়ের সামর্থ্যও থাকবে না।

দলটাকে নিয়ে এত হতাশ হওয়া বোধ হয় ঠিক না। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যাতে এ দলের দিকে একটু নেক নজর দেন। এখন চাওয়া এটিই।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন