বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাটলার জানিয়েছেন, সেঞ্চুরিটি মোটেও সহজে আসেনি। কীভাবে তিনি এ অসাধারণ ইনিংসটি খেললেন তিনি জানিয়েছেন তার ইতিবৃত্ত, ‘সেঞ্চুরিটা করতে পেরেছি মাথা ঠান্ডা রেখে আর প্রচণ্ড ধৈর্য ধরে। শুরুতে দলের অবস্থা ভালো ছিল না। পরিস্থিতি ছিল কঠিন। মরগানের সঙ্গে জুটি গড়ে একটা জায়গায় গিয়েই পাল্টা আক্রমণ করতে হয়েছে।’

পাওয়ারপ্লেতে খুব কম রান এসেছে। উইকেট ছিল কঠিন। কিন্তু এর মধ্যেও রানের চাকা সচল রাখার বিষয়টা ছিল। শ্রীলঙ্কানদের বোলিংও মন্দ হচ্ছিল না। এর মধ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর রহস্যটা জানালেন বাটলার, ‘যেকোনো মূল্যে রানের চাকাটা সচল রাখতে চেয়েছিলাম। স্পিনারদের খেলাটা ছিল কঠিন। মরগান একবার বলেছিল উইকেটের যে অবস্থা, তাতে ১২০ রানও ভালো স্কোর। তবে উইকেটের একদিকের বাউন্ডারি ছিল ছোট, আমরা সেটিকেই লক্ষ্য বানিয়েছিলাম। কাজে লেগেছে কৌশলটা।’

default-image

বাটলার নিজের ফিফটি পূর্ণ করেছিলেন ৪৫ বল খেলে। বোঝাই যাচ্ছে, কতটা সংগ্রাম তিনি করছিলেন। কিন্তু পরের ৫০ আসে মাত্র ২২ বল থেকে। ইংল্যান্ডের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে তিনি টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণেই সেঞ্চুরি পেলেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অবশ্য দ্বিতীয় ইংলিশ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি পেলেন তিনি।

বিপদের মধ্যেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলের ৬০ শতাংশ রান করে তিনি দেখিয়েছেন কঠিন পরিস্থিতিতে টি-টোয়েন্টি ব্যাটিংয়ের ধরন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন