বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দলে পরিবর্তন তো আসছেই। সাইফউদ্দিন চোট পেয়ে বাইরে চলে গেছে, তাঁর বদলে দলে এসেছে রুবেল। আমি চেয়েছিলাম আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অপরিবর্তিত দল নিয়ে বাংলাদেশ খেলুক। সাইফউদ্দিন যেহেতু থাকছে না তাই তাঁর জায়গায় আজ কাকে নেওয়া হবে, সেটি নিয়ে ভাবনার একটা বিষয় আছে। লিটনকে আমি দলে চাই। আমার মনে হয়, সে খুব শিগগিরই ফর্মে ফিরবে। সাইফউদ্দিনের না থাকাটা দলের জন্য বড় একটা আঘাত। গতকাল নুরুল হাসানও অনুশীলনের সময় চোট পেয়েছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই সমস্যার সমাধানটা টিম ম্যানেজমেন্ট কীভাবে করবে, সেটিই দেখার বিষয়।

default-image

ফিনিশার রোল নিয়ে আমার একটা কথা আছে। টিম ম্যানেজমেন্ট আফিফ হোসেনকে এ রোলে দেখতে চাচ্ছে। কিন্তু আমার মনে হয় দায়িত্বটা মাহমুদউল্লাহরই নেওয়া উচিত। আফিফের উইকেটে থিতু হতে একটু সময় লাগে। ওকে আরও একটু ওপরের দিকে খেলানো যায় কিনা, সেটি ভেবে দেখা উচিত। সাইফউদ্দিন পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ৬ বলে ১৯ রানের একটা ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিল। এমন ইনিংস আমাদের অন্য ব্যাটসম্যানরা খেলতে পারছে না, এটাই চিন্তার। টি-টোয়েন্টিতে এ ধরনের ইনিংস খেলতে না পারলে রান বাড়বে না। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই ধরুন, আফিফ বা মাহমুদউল্লাহ যদি সেদিন এমন কিছু করতেন, রানটা অবশ্যই ১৯০ এর ঘরে চলে যেত, আমরাও অনেকটা নিরাপদ অবস্থানে পৌঁছে যেতাম। যাই হোক, আমরা যা করতে পারি, সেটি নিয়েই ভাবা ভালো। মৌলিক দিকটা ঠিক রেখে খেলা। এক-দুই করে রান নিয়ে আলগা বলে বাউন্ডারি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ছক্কা হয়েছে মাত্র দুটি, মেনে নিচ্ছি, আমাদের ছক্কা মারার ব্যাটসম্যান নেই। কিন্তু বাউন্ডারি তো বাড়ানো যায়। সেটি ব্যাটিংয়ের মৌলিকত্ব বজায় রেখেই করা যায়।

আবারও বলছি, দল আজ খোলা মনে খেলুক। আমাদের হারানোর কিছু নেই—এটা ভেবেই খেলুক। প্রতিটি ম্যাচের পর ক্রিকেটাররা বেশি চাপ নিয়ে ফেলছে। এটা উচিত নয়। চাপ নিয়ে খেললে ইংল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে ভালো কিছু করা সম্ভব হবে না।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন