বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দিনের প্রথম বলটা লেগস্টাম্পের ওপর ফুললেংথে করেছিলেন ইবাদত হোসেন। আগেরদিন ৯৯ রানে অপরাজিত কনওয়ে ফ্লিক করে চার মেরে পৌঁছে গেছেন তিন অঙ্কে। ল্যাথামের পর নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে কনওয়েও পেলেন শতক।

৫ টেস্টের ক্যারিয়ারে কনওয়ের এটি তৃতীয় শতক। ক্যারিয়ারে প্রথম ৫ টেস্টে কমপক্ষে তিনটি শতক ছিল এর আগে মাত্র চারজনের—সুনীল গাভাস্কার (৪), জর্জ হেডলি (৪), কোনরাড হান্টে (৩), ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান (৩)।

default-image

ল্যাথামের পর কনওয়ে—নিউজিল্যান্ডের প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের দুজনই পেলেন শতকের দেখা। প্রথম ইনিংসে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের মধ্যে দুইটি ১০০ রানের ইনিংসে—নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এমন ঘটনা এ নিয়ে পঞ্চমবার। সর্বশেষ ঘটেছিল ২০১৩ সালে, এ শতাব্দীতে এমন ঘটল এ নিয়ে দ্বিতীয়বার।

ল্যাথাম ও কনওয়ে দ্বিতীয় উইকেটে যোগ করেছেন ২১৫ রান। বাংলাদেশের বিপক্ষে যেটি নিউজিল্যান্ডের রেকর্ড। এর আগের রেকর্ডটি ছিল কনওয়ে ও উইল ইয়াংয়ের—সিরিজের প্রথম টেস্টে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে হয়েছিল সেটি।

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম ইনিংসে দ্বিতীয় উইকেটে অবশ্য এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এ তালিকায় সবার ওপরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোয়ি ক্যারু ও সেমর নার্স জুটি—১৯৬৯ সালে ক্রাইস্টচার্চেই দুজন যোগ করেছিলেন ২৩১ রান।

default-image

কনওয়ে ফেরার পর তাসকিনকে কাভার দিয়ে চার মেরে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় দ্বিশতক পেয়েছেন ল্যাথাম এরপর। ৩০৫ বলে এ মাইলফলকে গেছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম ইনিংসে কোনো উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের দ্বিশতক পাওয়ার মাত্র পঞ্চম ঘটনা এটি, সর্বশেষ ১৯৯৭ সালে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে দ্বিশতক পেয়েছিলেন ব্রায়ান ইয়াং।

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে যে কোনো ইনিংসে কোনো উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের দ্বিশতক পাওয়ার এটি সপ্তম ঘটনা। ২০১৮ সালে সর্বশেষ ল্যাথামই পেয়েছিলেন ক্যারিয়ারের প্রথম ২০০ রানের দেখা, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়েলিংটনে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন