বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টাইমস অব ইন্ডিয়াকে রায়নার কাছের এক সূত্র বলেছে, ‘শুক্রবার রাতে সে তার সব সতীর্থদের ফোন দেওয়া শুরু করে। কোচ স্টিভেন ফ্লেমিং, অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে বারবার তাঁর সমস্যার কথা জানান। এমএস তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু কিছুই কাজে আসছিল না। শেষ পর্যন্ত সবাই বুঝতে পারে যে তাকে আটকে রাখার কোনো মানে হয় না। ভয় তাকে সম্পূর্ণ জেঁকে ধরেছিল।’

চেন্নাই সুপার কিংসের সতীর্থদের সঙ্গে কথাবার্তার সময় রায়নাকে নাকি বেশ অস্থির মনে হয়েছে। জৈব-সুরক্ষা বলয়ে বন্দী অবস্থায় নাকি থাকতেই পারছিলেন না ৩৩ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। সূত্র বলেছে, ‘সে আর নিতেই পারছিল না। শান্ত হওয়ার নাম নিচ্ছিল না সে। তবে চেন্নাই সুপার কিংসকে ধন্যবাদ দিতে হয়। তারা ভালোভাবে সামাল দিয়েছে পুরো বিষয়টা। শুরুতে তারা চেয়েছিল সুরেশ থাকুক। কিন্তু যখন বুঝতে পেরেছে সে শান্তিতে নেই, তখন তাকে ছেড়ে দিয়েছে। এই সময় নিজ পরিবারের সঙ্গে থাকলেই বরং ভালো।’

গতকাল আবার জানা গেছে, ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফসহ চেন্নাইয়ের মোট ১০ ক্রিকেটার করোনা পজিটিভ হয়েছেন। আজ আবার করোনা পজিটিভের তালিকায় যোগ হয়েছে আরেকজন চেন্নাই ক্রিকেটার। দলের অনুশীলনও পেছানো হয় দলের মোট এগারোজনের করোনা পজিটিভের কারণে।

দলের পরিস্থিতির কারণেও হয়তো রায়না দেশে ফিরে গেছেন। টুর্নামেন্টের মাঝপথে আবার রায়নার ফিরে আসার সুযোগ নেই। চেন্নাই তাই রায়নার বদলি খোঁজার চেষ্টা করছে। তবে কাজটা সহজ হবে না। আইপিএলের প্রতি আসরেই রায়না ছিলেন চেন্নাইয়ের ‘রান ব্যাংক’। প্রতি মৌসুমেই চেন্নাইকে ৪০০–এর আশেপাশে রান দিয়েছেন এই বাঁহাতি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন