বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান তুলেছিল কলকাতা। তাড়া করতে নেমে শেষ তিন ওভারে ৫৪ রান দরকার ছিল দলটির। হাতে ছিল ২ উইকেট। কিন্তু কাইরন পোলার্ড তখনো উইকেটে থাকায় লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আশা ছিল মুম্বাইয়ের।

১৮তম ওভারে পোলার্ড (১৬ বলে ১৫) রান আউট হওয়ার পরের বলে শেষ ব্যাটসম্যান রাইল মেরেডিথও রান আউট হলে ১১৩ রানে থেমে যায় মুম্বাইয়ের ইনিংস।

default-image

কলকাতার দারুণ এই জয়ে অবশ্য আলো ছড়িয়েছেন মুম্বাইয়ের পেসার যশপ্রীত বুমরা। কলকাতার ইনিংসে ১৫, ১৮ ও ২০তম ওভারটি করেন বুমরা। এর মধ্যে শেষ ১২ বলের মধ্যে ১১টি ‘ডট’। আইপিএলের ইতিহাসে ‘ডেথ ওভারে’ একমাত্র বোলার হিসেবে অন্তত ১২ বল করে মাত্র ১ রান দেওয়া প্রথম বোলার বুমরা।

কাল মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে তাঁর বোলিং বিশ্লেষণ ৪-১-১০-৫। এর মধ্যে ৫ উইকেট পেয়েছেন ৯ বলের ব্যবধানে! অবিশ্বাস্য!

তবে আজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আইয়ারের ব্যাটে শুরুটা ভালো পেয়েছিল কলকাতা। ৫.৪ ওভারে ভেঙ্কটেশ ৪৩ রান করে আউট হওয়ার আগে রাহানের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে তুলেছেন ৬০ রান। ২৫ রান করা রাহানে আউট হন ১১তম ওভারে। নীতিশ রানা ওই ওভারের শেষ দুই বলে দুই ছক্কা মেরে সেখান থেকে নতুন করে সব শুরুর ইঙ্গিত দিলেও অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা ভুগেছেন।

৬ রান করে আউট হন শ্রেয়াস আইয়ার ১৪তম ওভারে। পরের ওভারে বিপজ্জনক আন্দ্রে রাসেলকে (৯) তুলে নেন বুমরা। ইনিংসের ১৫ ও ১৮তম ওভার মিলিয়ে ৯ বলের ব্যবধানে ৫ উইকেট নেন বুমরা। শেষ ওভারে মাত্র ১ রান দেন এই পেসার।

default-image

মুম্বাইয়ের হয়ে ইষান কিষান ৪৩ বলে ৫১ রান করেন। কিষান ছাড়া আর কেউ-ই সেভাবে লড়তে পারেননি। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন কলকাতা পেসার প্যাট কামিন্স। ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সাতে কলকাতা। পয়েন্ট টেবিলে চারে থাকা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু থেকে ৪ পয়েন্ট ব্যবধানে পিছিয়ে শ্রেয়াস আইয়ারের দল। ১১ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে মুম্বাই।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন