অবশেষে ব্যাট হাতে জ্বললেন সুনিল নারাইন।
অবশেষে ব্যাট হাতে জ্বললেন সুনিল নারাইন। ছবি: বিসিসিআই

প্রথম সাত ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জন্য ব্যাট বা বলে তেমন কিছু করতে পারেননি এই সুনিল নারাইন। বাধ্য হয়ে তিন ম্যাচ বসিয়ে রাখা হয় ক্যারি্বীয় অলরাউন্ডারকে। আজ আবার তাঁকে ফেরানো হয়েছে শক্তিশালী দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বিপক্ষে। তাও আবার তাঁর ‘অপরিচিত’ জায়গা মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে হয়েছে। তবে ফেরার উপলক্ষটা রাঙিয়েছেন ৩২ বলে ৬৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে। ম্যাচের গতিপ্রকৃতিও পাল্টে দিয়েছে তাঁর ইনিংসটি। দলের সর্বোচ্চ স্কোরার নিতীশ রানার সঙ্গে চতুর্থ উইকেট জুটিতে তুলেছেন ১১৫ রান।

আবুধাবির মাঠে আগে ব্যাট করা কলকাতা করে ৬ উইকেটে ১৯৬ রান। না্রাইনের মতো এদিন জ্বলে ওঠেন দলের আরেক পার্শ্বনায়ক ওপেনার নিতীশ রানা। কলকাতা বড় স্কোর করতে পারে ৫৩ বলে তাঁর ৮১ রানের ইনিংসের কল্যাণেই। এক ছক্কা এবং ১৩টি চারে ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন
default-image

দিল্লির পক্ষে ভালো বোলিং করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ফাস্ট বোলার এনরিক নর্টিয়ে ও কাগিসো রাবাদা। দুজনেই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। তবে দুই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানের এমন বোলিংও থামাতে পারেনি কলকাতার রান–উৎসব।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লির বাঁধা হয়ে দাঁড়ান কলকাতার আরেক পাশ্বনায়ক বরুন চক্রবর্তী। শুরুতে প্যাট কামিন্সের গতিতে দুই অভিজ্ঞ শেখর ধাওয়ান ও আজিঙ্কা রাহানে দ্রুত বিদায় নেন। তবু ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার কথা না লম্বা ব্যাটিং লাইন আপের দল দিল্লির। কিন্তু মাঝের ওভারে বরুণের লেগ স্পিনে খেই হারায় দলটি। ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে দিল্লির ব্যাটিংয়ে ধস নামান ২৯ বছর বয়সী এই স্পিনার।

default-image

বরুণের এক স্পেলেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে দিল্লি। একা টিকে থাকেন অধিনায়ক শ্রেয়াশ আয়ার। ৩৮ বলে ৪৭ রান করেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ৯ উইকেটে ১৩৫ রান তুলতে পারে দিল্লি। কলকাতা ম্যাচটি জিতেছে ৫৯ রানের বড় ব্যবধানে। এই জয়ে পয়েন্ট তালিকায় চার নম্বর জায়গাটাও ধরে রাখে কলকাতা। লিগ পর্বের পরের তিন ম্যাচে এক জয় পেলেই শেষ চারে জায়গা প্রায় পাকা হয়ে যাবে শাহরুখ খানের দলের। অন্যদিকে আজ হারলেও খুব বেশি ক্ষতি হয়নি দিল্লির। ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে তারা।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0