অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেছেন সানরাইজার্স ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার
অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেছেন সানরাইজার্স ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারছবি: টুইটার

কে জানত হিসেব-নিকেশ এমন সহজ হয়ে যাবে!

মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে সানরাইজার্স হায়দরবাদের ম্যাচটি ছিল এক অর্থে বাঁচা-মরার লড়াই। হারলে প্লে অফে ওঠার আশা ধূলিসাৎ হবে হায়দরাবাদের, আর তাতে কপাল খুলে যাবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের। ম্যাচটায় তাই কলকাতা সমর্থকদেরও চোখ ছিল। কিন্তু খেলা দেখে তাঁদের চোখ জ্বালা করার কথা!

বিজ্ঞাপন

একে তো পুরো শক্তি নিয়ে মাঠে নামেনি মুম্বাই—রোহিত শর্মা ফিরলেও বোলিংয়ে যশপ্রীত বুমরা, ট্রেন্ট বোল্ট ছাড়াও তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পাণ্ডিয়াও ছিলেন না। আগে ব্যাট করে মুম্বাইয়ের গড়া সংগ্রহটাও কলকাতা সমর্থকদের মনের মতো হয়নি—৮ উইকেটে ১৪৯। কিন্তু এই রান নিয়েও তো লড়াই করা যায়। মুম্বাইয়ের বোলিংয়ে তা চোখে পড়েছে সামান্যই। সে জন্য হায়দরাবাদের ১০ উইকেটের জয়ে কলকাতা সমর্থকেরা দুষতে পারেন মুম্বাইয়ের বোলারদের!

default-image

তাতে অবশ্য হায়দরাবাদ সমর্থকদের মন খারাপ হওয়ার কথা নয়। ভীষণ কাঙ্ক্ষিত জয়টা যে মিলেছে! হারলে প্লে অফ পর্বে ওঠা হতো না। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নার-ঋদ্ধিমান সাহার দুর্দান্ত ওপেনিং জুটিতে এখন এলিমিনেটরের হিসেব কষতে হচ্ছে হায়দরাবাদ সমর্থকদের। এলিমিনেটরে হায়দরাবাদের প্রতিপক্ষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। প্রথম কোয়ালিফায়ারে দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হবে মুম্বাই।

বিজ্ঞাপন

৫৮ বলে ৮৫ রানের অধিনায়কোচিত অপরাজিত ইনিংস খেলেন সানরাইজার্স ওপেনার ওয়ার্নার। ১০ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো ইনিংসে মুম্বাই বোলারদের তিনি পাত্তাই দেননি। অন্য প্রান্তে কিছুটা রয়ে-সয়ে ব্যাট করেন ঋদ্ধিমান। ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৪৫ বলে ৫৮ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ১৭ বল হাতে রেখে তুলে নেওয়া হায়দরাবাদের এ জয়ে মুম্বাই বোলারদের বাজে বোলিং চোখে বিঁধবেই।

পাঁচ বোলারকে ব্যবহার করেছেন মুম্বাই অধিনায়ক রোহিত। সবচেয়ে ভালো বল করা নাথান কুল্টার-নাইলও ওভারপ্রতি গড়ে ৬-এর বেশি রান দিয়েছেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন হতেই পারে, তবে দলের সংগ্রহ বিচারে হয়তো আরেকটু ভালো বোলিং আশা করেছিলেন মুম্বাই সমর্থকেরা। জেমস প্যাটিনসন, রাহুল চাহার ও ক্রুনাল পাণ্ডিয়া ওভারপ্রতি গড়ে ৯-এর ওপরে রান দিয়েছেন।

এর আগে মুম্বাইয়ের শুরুটাও ভালো হয়নি। ৫ ওভারের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় তারা। মাঝে সূর্যকুমার যাদব ও ইষান কিষাণের ৪২ রানের জুটিতে একটু শক্ত ভিত পেয়েছিল মুম্বাই। কিন্তু রানের চাকা সেভাবে ঘোরেনি। সাতে নেমে ২৫ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলে রানের গতি যা একটু বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন কাইরন পোলার্ড। হায়দরাবাদের হয়ে ৩ উইকেট নেন সন্দ্বীপ শর্মা।

মন্তব্য পড়ুন 0