বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কামিন্স অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের অধিনায়ক হলে তিনি হবেন ৬৫ বছরে প্রথম ফাস্ট বোলার অধিনায়ক। ১৯৫৬ সালে ফাস্ট বোলার রে লিন্ডাল মুম্বাইয়ে ভারতের বিপক্ষে একটি টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্বে দিয়েছিলেন শেষবারের মতো। এরপর অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে আর কোনো ফাস্ট বোলারকে অধিনায়কত্ব করতে দেখা যায়নি।

default-image

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক কিংবদন্তিরা কামিন্সের পক্ষেই ব্যাট ধরেছেন। ডেনিস লিলি, স্টিভ ওয়াহরা টিম পেইনের ঘটনার আগেই কামিন্সের অধিনায়কত্বের গুণাবলি নিয়ে বলেছিলেন। এবার এ দলে যোগ দিয়েছেন শেন ওয়ার্নও। তিনিও বলেছেন, টিম পেইনের ঘটনার আগেই কামিন্সকে তিনি অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে কল্পনা করে রেখেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার পত্রিকা ডেইলি টেলিগ্রাফে লেখা এক কলামে তিনি বলেছেন, ‘সময় এসেছে কামিন্সের হাতে টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব তুলে দেওয়ার।

আমি মনে করি, সিদ্ধান্তটা দারুণ হবে। টিম পেইনের ঘটনার আগে থেকেই আমি এ ব্যাপারে ভেবেছি। আমার কাছে কামিন্সকে সব সময়ই যোগ্য মনে হয়েছে।’

শেন ওয়ার্ন কামিন্সকে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের পোস্টার বয়ই মনে করেন, ‘কামিন্স সত্যিকার অর্থেই অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের পোস্টার বয় হতে পারে। সে গোটা ক্রিকেট দুনিয়ার পছন্দের তারকা। কামিন্সকেই এখন অধিনায়ক করা উচিত। দলের উইকেটকিপার হিসেবে ম্যাথু ওয়েড, জশ ইঙ্গিলস, অ্যালেক্স ক্যারি আছে। তবে আমার ভোট যাবে তরুণ ইঙ্গিলসের পক্ষেই।’

এ মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার সহ–অধিনায়ক ২৮ বছর বয়সী কামিন্স ৩২ টেস্টে নিয়েছেন ১৬৪ উইকেট। ২০১১ সালে অভিষেকের পর তিন সংস্করণেই দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন