বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হেলসের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেছেন ইয়র্কশায়ারের পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার আজিম রফিক। কয়েক মাস ধরেই আজিম রফিকের বিভিন্ন অভিযোগে তোলপাড় ইংলিশ ক্রিকেট। বর্ণবাদ ও বর্ণবিদ্বেষ যে ইংলিশ ক্রিকেটের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে, রফিক সেগুলোই তুলে ধরছেন।

ইয়র্কশায়ারে খেলার সময় তিনি ও অন্যান্য এশীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার কী ধরনের বর্ণবিদ্বেষী আচরণের শিকার হয়েছেন, রফিকের অভিযোগগুলো এসব নিয়েই। রফিকের অভিযোগের জালে এরই মধ্যে ধরা পড়েছেন অনেক রথী–মহারথী। তাঁদের মধ্যে আছেন মাইকেল ভন, ডেভিড লয়েডের মতো সাবেক ইংলিশ তারকারা। আছেন গ্যারি ব্যালান্স, ম্যাথু হগার্ডরা।

তাঁর অভিযোগ এতটাই তোলপাড় ফেলেছে যে ব্রিটিশ সাংসদদের নিয়ে গড়া কমিটির সামনেও রফিককে হাজিরা দিয়ে নিজের অভিযোগগুলো বয়ান করতে হয়েছে।

হেলসও জড়িয়ে পড়েছেন রফিকের অভিযোগে। আসলে তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িয়েছেন তাঁর বন্ধু সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার গ্যারি ব্যালান্সের মাধ্যমে। এই ব্যালান্সের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ তুলেছেন রফিক।

ইয়র্কশায়ারে খেলার সময় ব্যালান্স নাকি এশীয় বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের ‘ইংলিশ’ নামে ডাকতেন। কারণ, তাঁর এশীয়দের ‘কঠিন কঠিন’ নাম মনে থাকত না, কিংবা তিনি সেগুলো উচ্চারণ করতে পারতেন না। তিনি সে সময় চেতেশ্বর পূজারাকে ডাকতেন ‘স্টিভ’ নামে। তিনি আবার তাঁদের ‘কেভিন’ নামেও ডাকতেন।

এমনকি একজন অশ্বেতাঙ্গ ইংলিশ ক্রিকেটারকে ‘কালো কুকুর’ নামেও নাকি ডাকা হতো। হেলসও পরে তাঁর পোষা কুকুরের নাম রেখেছিলেন ‘কেভিন’। সেই কুকুরের গায়ের রং ছিল কালো।

তবে নিজের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী অভিযোগ মানতেই পারছেন না হেলস, ‘নিজের সম্পর্ক এমন অভিযোগ শুনে খুবই অবাক হয়েছি। আমি পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, অভিযোগটি পুরোপুরি মনগড়া ও মিথ্যা। আমার কুকুরের নামের সঙ্গে বর্ণবিদ্বেষের কোনো সম্পর্ক নেই।’

নটিংহামশায়ারে খেলা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সাবেক এই ব্যাটসম্যান অবশ্য বর্ণবাদ নিয়ে রফিকের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল, ‘আমি রফিকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ক্রিকেটে বর্ণবাদ ও বৈষম্যমূলক কোনো কিছুর স্থান নেই। আমি এ ব্যাপারে যেকোনো ধরনের তদন্তে পূর্ণ সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন