বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সেই ম্যাচে কোহলি ৫৩ বলে ৫৮ রান করেছিলেন। প্রথমে ব্যাট করে বেঙ্গালুরু ২০ ওভারে ৬ উইকেটে করেছিল ১৭০ রান। কোহলির ধীরগতির ব্যাটিংয়ের ধকল সেই ম্যাচে কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠেছিল রজত পতিদারের ৩২ বলে ৫২, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ১৮ বলে ৩৩ ও মহিপাল লমরোর ৮ বলে ১৬ রানের ইনিংসে।

আজও একই ধরনের ঘটনা ঘটল। আজ কোহলির শ্লথ ব্যাটিংয়ের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন লমরোর ও দিনেশ কার্তিক। লমরোরের ২৭ বলে ৪২ ও কার্তিকের ১৭ বলে অপরাজিত ২৬ রানের ইনিংসে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৭৩ রান তুলতে পারে বেঙ্গালুরু। আজ ম্যাচও জিতেছে তারা। শেষ ওভারে গড়ানো ম্যাচে চেন্নাইকে হারিয়েছে ১৩ রানে।

default-image

টি-টোয়েন্টির বিচারে মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করে চেন্নাই। ৬.৪ ওভারে রুতুরাজ গায়কোড়ারের উইকেট হারিয়ে ৫৪ রান তোলে তারা। কিন্তু এরপর জোড়ায় জোড়ায় উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে চেন্নাই। একটা পর্যায়ে শেষ ২ ওভারে তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন পড়ে ৩৯ রানের, হাতে ছিল ৪ উইকেট।

মহেন্দ্র সিং ধোনি উইকেটে ছিলেন বলেই হয়তো জয়ের আশা করছিল চেন্নাইয়ের সমর্খকেরা। কিন্তু ১৯তম ওভারে জস হ্যাজলউপডের প্রথম বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে পতিদারের ক্যাচ হয়ে ফেরেন চেন্নাইয়ের হয়ে আইপিএলে ২০০তম ম্যাচ খেলতে নামা ধোনি। তাঁর আউটের সঙ্গে জয়ের আশাটাও নিভে যায়। শেষ ওভারে চেন্নাইয়ের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩২ রানের। হর্শাল প্যাটেলের প্রথম বলেই ছক্কা মারেন প্রিটোরিয়াস। পরের বলে একই কাজ করতে গিয়ে ফেরেন আউট হয়ে। শেষ পর্যন্ত শেষ ওভার থেকে ১৭ রানই নিতেে পেরেছে তারা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন