default-image
>

আপৎকালীন কোচ খালেদ মাহমুদকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আবার। প্রশ্নটা নতুন করে উঠেছে তাঁর ক্যাসিনোতে যাওয়া নিয়ে। সেটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। তবে অধিনায়ক তামিম মনে করেন মাহমুদ দলের সাফল্যের জন্য সম্ভব সবকিছুই করছেন।

বিশ্বকাপ শেষ হতেই স্টিভ রোডসকে বিদায় দিয়ে দেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য দলের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে খালেদ মাহমুদ সুজনকে। প্রথম দুই ম্যাচের ব্যর্থতার পর সে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। নিয়মিত কোচের বদলে আপৎকালীন কোচ দিয়ে এ সিরিজ খেলতে আসা ভুল হয়নি তো?

নিজের ফর্ম নিয়ে এমনিতেই সমালোচনার মধ্যে আছেন তামিম ইকবাল। ফর্মের চেয়েও আলোচিত তার আউট হওয়ার ধরন। এমন অবস্থাতেও দলের ব্যর্থতার কারণ হিসেবে কোচ খালেদ মাহমুদকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে আপত্তি দেখা গেল তাঁর মাঝে, ‘এমন কিছু নয়। আমাদের বর্তমান যে কোচ আছেন তিনি আসলেই তাঁর সেরা চেষ্টা করেছেন। তিনি গতানুগতিকের বাইরেও অনেক কিছু করার চেষ্টা করেছেন। সাফল্য পেতে যা যা সম্ভব সবই করেছেন।’

এমনিতেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আজ কোচকে নিয়ে সরগরম। রোববার সিরিজ হেরে যাওয়ার পর এক ক্যাসিনোতে দেখা গিয়েছিল খালেদ মাহমুদকে। দলের এমন অবস্থায় তাঁর এ আচরণের ব্যাখ্যা দিয়েছেন কোচ। বলেছেন তিনি রাতের খাবার খেতে গিয়েছিলেন ক্যাসিনোতে।

সেবার ম্যানেজার হিসেবে দলের সঙ্গে ছিলেন মাহমুদ। এবার যে তিনি দলের কোচ। ফলে তাঁর আচরণ দলের খেলার ওপর প্রভাব ফেলতেই পারে। তামিম অবশ্য দলের বাজে পারফরম্যান্সে কোচের ভূমিকা খুঁজে পাচ্ছেন না, ‘যখন আমরা ভালো খেলছি না তখন তার দায় কোচের ওপর দেওয়া ঠিক না। আমরা যখন ভালো করছি না তখন কোচকে দায় দেওয়ার মানে হয় না। আমার ধারণা কোচ তার সেরাটাই দিয়েছেন, আমাদের জন্য সেরা ফ্যাসিলিটিজের ব্যবস্থা করেছেন। সব খেলোয়াড়কে প্রস্তুত হওয়ার সবটুকু সুযোগই তিনি দিয়েছেন। সর্বোচ্চই দিয়েছেন, সম্ভাব্য সেরাটুকুই।’

এ কারণেই ধবল ধোলাই এড়ানোর ম্যাচে সবটুকু দায়িত্ব নিজেদের কাঁধেই নিয়ে নিয়েছেন তামিম, ‘ তাঁকে দায় দেওয়া ঠিক হবে না। বরং যে এগারোজন আমরা মাঠে ছিলাম তারা নিজেদের কাজটা করতে পারিনি বলেই হেরেছি।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন