বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এখন কোহলির ওয়ানডে অধিনায়কত্ব হারানো নিয়ে চলছে নানামুখী কানাঘুষা। রোহিতকে ওয়ানডে অধিনায়ক করে বিসিসিআই আলাদা করে কোনো বিবৃতিও দেয়নি। আর এতেই মিলছে বিতর্ক আর জল্পনাকল্পনার রসদ।

ভারতের বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই) জানিয়েছে, ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য কোহলিকে নাকি ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিল বিসিসিআই। তাঁকে অনুরোধ করা হয়েছিল, স্বেচ্ছায় ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে পদত্যাগ করতে। কিন্তু তিনি সেটি না করায় রোহিতের নাম ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করে দেয় বোর্ড।

default-image

ড্রেসিংরুমে শ্রদ্ধা হারিয়েছেন কোহলি?

পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে ব্যাপারটি উঠে এসেছে। ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুমে নাকি সতীর্থদের ‘শ্রদ্ধা’ হারিয়েছেন কোহলি। দলের বাকিদের সঙ্গে তাঁর সংযোগে সমস্যা আছে বলেই অভিযোগ উঠেছে। তিনি খেলোয়াড়দের সঙ্গে খোলামেলা মিশতে পারছেন না। খেলোয়াড়দের সমস্যাগুলোকে ঠিকমতো মনোযোগ দিচ্ছেন না, এমন অভিযোগ উঠেছে।

পিটিআইকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভারতীয় ক্রিকেটার জানিয়েছেন, ‘কোহলি সব সময়ই খোলামেলা যোগাযোগের কথা বাইরে বললেও আদতে তিনি ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে তেমনটা নন।’

এ ব্যাপারগুলোই বিসিসিআইকে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দিতে বাধ্য করেছে। সেপ্টেম্বরে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিলেও কোহলি নিজে কিন্তু টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডেতেও অধিনায়কত্বটা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল ঘরের মাঠে ২০২৩ বিশ্বকাপ। ২০১৯ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর তিনি অধিনায়ক হিসেবে ২০২৩ বিশ্বকাপে দেশকে সাফল্য এনে দিতে চেয়েছিলেন। তাঁর টেস্ট অধিনায়কত্ব নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকলেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাঁর অধিনায়কত্বে ভারতকে বড় কোনো সাফল্য এনে দিতে না পারার আক্ষেপটা ছিলই।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন