আজ শততম টেস্টের মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখতে মা, ভাই ও আনুশকাকে নিয়ে পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আসেন কোহলি। সেখানে বিসিসিআই টিভির সঙ্গে কথা বলার সময় ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত আসাতে পরিবার, কোচ এবং আনুশকাকে ধন্যবাদ দেন কোহলি।

default-image

ভারতীয় এই তারকা বলেন, ‘আমার জীবনে আনুশকার প্রভাব অনেক অনেক বেশি। সে আসার পর আমি ইতিবাচকভাবে পুরো পাল্টে গেছি। সঠিক পথে নিজেকে গড়ে তুলেছি। এমন একজন জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দেওয়ার জন্য সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ। সে আমার শক্তির অন্যতম স্তম্ভ। দাম্পত্যজীবন নিয়ে লোকে অনেক কিছুই বলে, আনুশকা আসার পর আমি তার সত্যিকার অর্থ বুঝতে পেরেছি। সে আমার জীবনে না এলে এত মসৃণভাবে, এতটা উদ্যম নিয়ে এগোতে পারতাম না।’

ভক্তরা এই জুটিকে ‘বিরুশকা’ বলে ডাকেন। তাঁদের ঘর আলো করছে এক বছর বয়সী কন্যাসন্তান ভামিকা। ২০০৮ সালে আনুশকার প্রথম সিনেমা ‘রাব নে বানা দি জোড়ি’ মুক্তির বছরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে কোহলির।

ভারতীয় নারী দলের পেসার ঝুলন গোস্বামীর জীবন নিয়ে ‘চাকদা এক্সপ্রেস’ নামে সিনেমা বানানো হচ্ছে। আনুশকা সেখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন। এই সিনেমা দিয়ে আবারও রুপালি পর্দায় ফিরবেন আনুশকা।

শততম টেস্ট খেলতে নামার আগে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেন কোহলি, ‘এই অভিযাত্রার জন্য কৃতজ্ঞ। অনেক বড় একটা দিন এবং বিশেষ একটা টেস্ট ম্যাচ। মাঠে নামতে দেরি সহ্য হচ্ছে না।’ এই পোস্টে তিনটি ভালোবাসার ইমো পোস্ট করে মন্তব্য করেন আনুশকা। বিরাট, আনুশকা ও ভামিকা—ঘরটা তিনজনের বলেই বোধ হয় তিনটি ভালোবাসার ইমো!

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন