বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারতের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটারের মতে, অনেকে জাতীয় দলে খেলার বদলে আইপিএলকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। কপিল ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বিরোধী নন, তবে ভারতের সাবেক অধিনায়ক বলছেন, আগে দেশকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত, ‘ক্রিকেটাররা যখন দেশের বদলে আইপিএল খেলাকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তখন আমাদের আর কীই-বা বলার থাকতে পারে! দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেয়ে ক্রিকেটারদের গর্ব করা উচিত। তাদের আর্থিক বিষয়ে আমার পরিষ্কার ধারণা নেই, তাই এই বিষয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না। তবে আমার মনে হয় দেশকে সব সময় অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, তারপর ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট। আমি বলছি না আইপিএল খেলো না। কিন্তু এখন বোর্ডের দায়িত্ব সুষ্ঠু পরিকল্পনা করার। এই টুর্নামেন্টে যেসব ভুল করেছি, সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন আর না হয়, সেটাই দেখতে হবে।’

default-image

আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় হবে পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সময় নষ্ট না করে এখন থেকেই বিসিসিআইকে এর জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়ার পরামর্শ দেন কপিল, ‘ভবিষ্যতের পরিকল্পনা এখন থেকেই শুরু করে দেওয়া উচিত। বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেছে মানে এই নয় যে ভারতের গোটা ক্রিকেট মৌসুম শেষ। আমার মনে হয় বিশ্বকাপ ও আইপিএলের মাঝে একটু ফাঁক দেওয়া উচিত ছিল। তবে এটা তো নিঃসন্দেহে মেনে নিতেই হবে যে আমাদের ক্রিকেটাররা যথেষ্ট সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি।’

default-image

শুধু কপিল দেব নন, ভারতের এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যর্থতার জন্য আইপিএলকে দুষলেন আরেক সাবেক তারকা ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কারও। গাভাস্কারের মতে, নিজেদের তরতাজা রাখতে আইপিএলের শেষ কয়েকটি ম্যাচ নাও খেলতে পারত ক্রিকেটাররা। স্পোর্টস তাককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভাস্কার বলেছেন, ‘আমরা কাজের চাপ নিয়ে, ক্লান্তি নিয়ে, একটু স্বস্তির কথা যখন বলছি, তাহলে ভারতীয় ক্রিকেটাররা আইপিএলের শেষ দিকের কয়েকটা ম্যাচ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারত না? ভারতের হয়ে খেলার জন্য কি তারা নিজেদের আরও বেশি সতেজ রাখতে পারত না? এর উত্তর হয়তো ওরা দিতে পারবে। বিশেষ করে যখন আপনি জানতেন, আপনি প্লে-অফ খেলতে পারবেন না, কিছু খেলোয়াড় বিশ্রাম নিতেই পারত। এক সপ্তাহ বা ১০ দিনের ছুটি নিয়ে আরও তরতাজা হয়ে খেলতে পারত।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন