বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ আফ্রিকার রান তাড়াটা সহজ ছিল না। স্বাগতিকদের লড়তে হয়েছে প্রতিটি রানের জন্য। কেপটাউনের নিউল্যান্ডসের উইকেট দুই দলের পেসারদের সাহায্য করছিল। ভারতীয় পেসার যশপ্রীত বুমরা, মোহাম্মদ শামি, শার্দূল ঠাকুররা চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত নিয়ন্ত্রণ আজ দেখাতে পারেননি তাঁরা। কিন্তু স্কোর বোর্ড আরও একটু বেশি রানের আক্ষেপ করে গেছে ভারত। এটা তো ঠিক, দ্বিতীয় ইনিংসে ঋষভ পন্তের শতক সত্ত্বেও ভারত ১৯৮ রানের বেশি করতে পারেনি। আরও দুই–একজন যদি পন্তের যোগ্য সঙ্গী হয়ে উঠতে পারতেন, তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকার রান তাড়াটা আরও কঠিনই হতে পারত। অবশ্য ভাগ্যও ভারতের পক্ষে নেই।

আজ পিটারসেনের উইকেট আরও আগেই নিতে পারত ভারত। ৫৯ রানের মাথায় (দিনের সপ্তম ওভারে) বুমরার বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ তুলেছিলেন। কিন্তু তা ফেলে দেন চেতেশ্বর পূজারা। পিটারসেন এরপর আরও ২৩ রান যোগ করে ফেরেন ঠাকুরের বলে বোল্ড হয়ে। এর আগেই ফন ডার ডুসেনের সঙ্গে ৫৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ একটা জুটি গড়েন। পিটারসেনের ফেরার পর টেম্বা বাভুমা আর ফন ডার ডুসেন বাকি কাজটা করেন। নিজেদের মধ্যে গড়েন ৫৭ রানের মহাগুরুত্বপূর্ণ এক জুটি। মধ্যাহ্ন বিরতির ৩৫ মিনিট পরই কেপটাউন টেস্ট ও সিরিজ নিজেদের করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

default-image

সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট জিতেছিল ভারত। এরপর জোহানেসবার্গ টেস্ট জিতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা। কেপটাউন টেস্ট তাই দুই দলের কাছেই ছিল বাঁচামরার। প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার তো বলেই দিয়েছিলেন, গত এক দশকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টেস্টটি খেলতে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম টেস্ট জেতার পর ভারতের টেস্ট সিরিজ হারার ঘটনা খুব বেশি নেই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজে হারের আগে এমন কিছু হয়েছে মাত্র তিনবার। ১৯৮৪–৮৫ মৌসুমে ঘরের মাঠ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের পর প্রথমবারের মতো সিরিজ হেরেছিল ভারত। এরপর ২০০৬–৭ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের পর সিরিজ হারে ভারত। এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছিল ২০১২–১৩ মৌসুমে, ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

১৯৯২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম সফর করে ভারত। টেস্ট খেলুড়ে প্রায় সব দেশের মাটিতে ভারত টেস্ট সিরিজ জিতলেও কেবল নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাতে কখনো টেস্ট সিরিজ জেতা হয়নি ভারতের।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন