বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এই সংস্করণে ভারতের অধিনায়কত্ব ছাড়ার কথা আগেই জানিয়েছেন কোহলি। এরপর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, রবি শাস্ত্রীও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ভারতের কোচ পদ থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।

কাল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী নিজেই এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। ভারত জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপই তাঁর শেষ ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে শাস্ত্রী বলেন, ‘আমারও তা–ই মনে হয়। কারণ, যা যা চেয়েছি, সব–ই অর্জন করেছি।’

default-image

এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর শাস্ত্রী দায়িত্ব ছাড়লে কুম্বলকে ফিরিয়ে আনতে পারে বিসিসিআই। এখন সেই পথই নাকি খুঁজছে বোর্ড, জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। বর্তমান বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী ২০১৭ সালেই চেয়েছিলেন কুম্বলে যেন কোচ হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করে যান। কিন্তু কোহলির বিরোধিতায় সম্ভব হয়নি। অর্থাৎ, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর কোহলি–কুম্বলে জুটি ভারতীয় ক্রিকেটের চালকের জায়গা থেকে সরে দাঁড়ালে ফিরে আসতে পারেন কুম্বলে—ক্ষমতার পালাবদল বোধ হয় একেই বলে!

তবে শুধু কুম্বলে নয়, মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের কোচ মাহেলা জয়াবর্ধনের ওপরও নজর রয়েছে বিসিসিআইয়ের।

প্রধান কোচ হিসেবে পাঁচ বছরের মেয়াদে অর্জিত সাফল্য নিয়ে গার্ডিয়ানকে শাস্ত্রী বলেন, ‘পাঁচ বছর শীর্ষে থাকা (টেস্টে), অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে দুবার (সিরিজ) জয়, ইংল্যান্ডে জয়, মৌসুমের শুরুতে মাইকেল আথারটনের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে বলেছিলাম—আমার কাছে এটাই চূড়ান্ত সফলতা, করোনার এই সময়ে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডকে তাদের মাটিতে হারানো।’

২০১৮–১৯ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় শাস্ত্রীর ভারত। এরপর ২০২০–২১ মৌসুমে আবারও অস্ট্রেলিয়া গিয়ে সিরিজ জেতে ভারত। তখন বেশ কিছু খেলোয়াড় চোটে পড়েছিলেন। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে পঞ্চম টেস্ট খেলতে অস্বীকৃতি জানায় ভারত। সিরিজের এই ফলকে ভারতের পক্ষে ধরে ইংল্যান্ডের মাটিতে সফলতা বিবেচনা করেছেন শাস্ত্রী।

default-image

ভারতের এই কোচ যোগ করেন, ‘সাদা বলে আমরা প্রতিটি দলকেই তাদের মাঠে হারিয়েছি। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতলে সেটি হবে সোনায় সোহাগা। এর চেয়ে বেশি প্রত্যাশা করা যায় না। আমি সব সময় একটি বিষয় বিশ্বাস করি—যত দিন সমাদর আছে তত দিনই থাক, এর বেশি নয়।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন