বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মাঝে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ গেছে তিনটি, ওয়ানডে বিশ্বকাপ দুটি। এ সময়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও হয়েছে দুটি। টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলির শেষ অধ্যায়টার সমাপ্তি হলো করুণ।

মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত ধরে ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা ভারত পরের তিন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই নকআউট পর্বে যেতে পারেনি। ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের গ্রুপ থেকে সেরা হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে (সুপার এইটে) গেছে ভারত, কিন্তু সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের গ্রুপে তিন ম্যাচে একটা জয়ও পায়নি ভারত!

২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও একই চিত্র। সেবারও প্রথম রাউন্ডে দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তানের গ্রুপ থেকে সবার ওপরে থেকে দ্বিতীয় রাউন্ড বা সুপার এইটে গেছে ভারত। এবারও সুপার এইটে তিন ম্যাচে তিন হার! সুপার এইটে তিন গ্রুপসঙ্গী ছিল অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

default-image

বিদায় একই পর্যায়ে হলেও ভারতের পারফরম্যান্সে কিছুটা উন্নতি হয়েছে ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এবার প্রথম রাউন্ডে ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে পেছনে ফেলে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সুপার এইটে যাওয়া, সেখানে ভারতের গ্রুপে পড়ল অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার ভারত গ্রুপে হলো তৃতীয়, গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে গেল প্রথম দুই দল। অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের সমান ৪ পয়েন্ট পেলেও রানরেটে পিছিয়ে পড়ায় বাদ পড়ে ভারত।

এরপর ২০১৪ বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠেও মিরপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে শ্রীলঙ্কার কাছে ৬ উইকেটে হেরে রানার্সআপ হয় ভারত। দুই বছর পর নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে আবার সেমিফাইনালের ‘গেরো’য় আটকা পড়া। এর আগের বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে বাদ পড়া ভারত ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও সেমিফাইনালে বিদায় নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে।

সেমিফাইনালের গেরোটা ওয়ানডে বিশ্বকাপেই বেশি ভুগিয়েছে ভারতকে। ২০১২ সালের পর যে দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ হয়েছে, তার মধ্যে ২০১৫ সালের মতো ২০১৯ বিশ্বকাপেও সেমিফাইনালে বাদ পড়েছেন কোহলিরা।

ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাইরে আর আইসিসির টুর্নামেন্ট বলতে তো বাকি থাকে অধুনালুপ্ত আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। তাতে ২০১২ সালের পর দুটি টুর্নামেন্টই হয়েছে। এর মধ্যে ভারতকে ২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতিয়ে অধিনায়ক হিসেবে ক্যারিয়ারে পূর্ণতা পেয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর ২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মাঝে যে ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও জিতিয়েছেন ভারতকে। তাঁর অধিনায়কত্বে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষেও উঠেছিল ভারত।

এরপর ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও ফাইনালে উঠেছিল ভারত, কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে হেরে গিয়ে শিরোপা ধরে রাখা আর হয়নি। এবার আর ফাইনাল কি, সেমিফাইনালেই ওঠা হলো না!

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন