বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়া সফরে এর আগে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সমর্থকদের প্রতি আঙুল তুলে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন কোহলি। কাল ওভালে বার্মি আর্মির গ্যালারির প্রতি একটি ইঙ্গিত করেন তিনি। দুই হাত দিয়ে কল্পিত শিঙা বানিয়ে ফুঁ দেওয়ার ভঙ্গি করেন কোহলি—যেন বিজয়োৎসবের বাঁশি বাজাচ্ছেন।

উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমানাকের সম্পাদক এবং বিখ্যাত ক্রিকেট লেখক লরেন্স বুথের কাছে তা মোটেও ভালো লাগেনি। তাঁর টুইট, ‘তার সতীর্থরা উইকেট পাওয়া উদযাপন করছে। কোহলি এর মধ্যেই ইংল্যান্ড সমর্থকদের খোঁচা মারার সময় বের কের ফেলেছেন।’

কোহলির এমন আচরণ নিয়ে নিজের মনোভাবটা পরের টুইটেই পরিষ্কার করেন বুথ, ‘যেকোনো সন্দেহ দূর করতে বলছি, বিষয়টি আমার ভালো লাগেনি। যখন উঁচু সারির একজন ক্রীড়াবিদ প্রতিপক্ষকে নাকাল করে শুধু জয়টা উদযাপন করতে পারে না, বরং সমর্থকদের সঙ্গেও ককর্শ আচরণ করে, তখন বিষয়টি অদ্ভুতই।’ ইংল্যান্ডের সাবেক ওপেনার নিক কম্পটনের ভাষায় কোহলির এমন আচরণ ‘তার জন্য ভালো বার্তা বয়ে আনবে না। কোনো দরকার ছিল না।’

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন অবশ্য কোহলির আচরণের প্রশংসা করেছেন। ফক্স স্পোর্টসকে তিনি বলেন, ‘বিরাট কোহলি একজন অসাধারণ নেতা। তার উদ্দীপনার শেষ নেই। বার্মি আর্মিকে খোঁচা মারতেই এমন বাঁশি বাজানোর ভঙ্গি। আমার ভালো লেগেছে। ক্রিকেটে এমন চরিত্র এখন খুব বেশি দেখা যায় না।’

ভারতের সাবেক ওপেনার ওয়াসিম জাফর ফক্স ক্রিকেটের টুইটটি রি–টুইট করেন। ইংরেজ লেখক রুডিয়ার্ড কিপলিংয়ের ‘ক্যাপ্টেন কারেজিয়াস’ বইয়ের শিরোনাম টেনে তিনি লিখেছেন, ‘সাহসী অধিনায়ক: বিরাট কোহলির দল একটা মরা ম্যাচকে জীবন দান করে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেওয়ায় বন্দনায় মেতেছে বিশ্ব। নিচে তা জুড়ে দেওয়া হলো।’ এই কথা লেখার ঠিক নিচেই ফক্স ক্রিকেটের প্রতিবেদন নিয়ে সেই টুইট।

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইনও কোহলির প্রশংসা করেছেন। ওভাল টেস্টের শেষ দিনে কোহলি যা কিছু করেছেন, সবই সোনায় পরিণত হয়েছে, মনে করেন বর্তমানে এই ধারাভাষ্যকার, ‘চূড়ান্ত দিনে বিরাটের ছোঁয়া সবকিছু সোনায় পরিণত হয়েছে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন