বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পাকিস্তানের দুজন, ইংল্যান্ডের দুজন, অস্ট্রেলিয়ার দুজন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুজন, আর আফগানিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার একজন করে...এই হলো হার্শা ভোগলের একাদশ।

কোহলির ব্যাট কোনো সংস্করণেই শতক দেখছে না দুই বছরের বেশি হলো। এ বছরেও টেস্ট ও ওয়ানডেতে রান করেছেন ক্যারিয়ার গড়ের চেয়ে অনেক কম গড়ে (টেস্টে ২৮.২১ গড়ে, যেখানে ক্যারিয়ার গড় ৫০.৩৪; ওয়ানডেতে ৪৩ গড়ে, যেখানে ক্যারিয়ার গড় ৫৯.০৭)।

টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য ৭৪.৭৫ গড়ে রান করেছেন বটে (ক্যারিয়ার গড় ৫২.০৪), তবে বছরজুড়ে খেলেছেন মাত্র ৮টি ইনিংস। তাতে চার ফিফটির মধ্যে তিনটিতেই অপরাজিত থাকায় তাঁর গড় বেড়েছে। পাশাপাশি বিশ্বকাপের বছরে কোহলির ভারত বাদ পড়েছে গ্রুপ পর্বে। কোহলিও বিশ্বকাপে কিছু করতে পারেননি। কোহলির বর্ষসেরা দলে না থাকা তাই যুক্তিযুক্ত।

কিন্তু বাবরের না থাকা? এ বছর টি-টোয়েন্টিতে ২৯ ম্যাচে ৩৭.৫৬ গড়ে রান করেছেন বাবর, যেখানে তাঁর ক্যারিয়ার গড় ৪৫.১৭...এই তথ্য এ বছরে টি-টোয়েন্টিতে বাবরের কৃতিত্বকে খাটো করেই দেখাবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁর নেতৃত্বেই পাকিস্তান সেমিফাইনাল পর্যন্ত গেছে, সেখানে ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই ৩০-এর ওপর রান পেয়েছেন বাবর, চারটিতেই করেছেন অর্ধশতক। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম শতকও এ বছরের এপ্রিলে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে পেয়েছেন বাবর।

তবু তাঁকে রাখেননি হার্শা ভোগলে। ভারতীয় ধারাভাষ্যকার নিজের বর্ষসেরা দলে ইনিংস উদ্বোধনে রেখেছেন বাবরেরই সতীর্থ রিজওয়ান আর ইংল্যান্ডের জস বাটলারকে। বাবর আর রিজওয়ানের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে অবশ্য নিজের সঙ্গে লড়তে হয়েছে হার্শা ভোগলেকে।

পাওয়ারপ্লেতে স্ট্রাইক রেটই বাবরের চেয়ে রিজওয়ানকে এগিয়ে দিয়েছে বলে হার্শা জানিয়েছেন ক্রিকবাজে, ‘আজম আর রিজওয়ানের পরিসংখ্যানই একবার দেখুন। ওরা দুজন নিজেদের গল্প যেন নিজেরাই লিখছিল! দুজনের স্ট্রাইক রেট দেখুন, দুজনই ১৩০ স্ট্রাইক রেটে রান করেছে। দুজনের দারুণ বছর কেটেছে। তবে আমি পাওয়ারপ্লেতে দুজনের স্ট্রাইক রেটে পার্থক্য দেখেছি, সেখানেই টাইব্রেকার পেয়ে গেছি।’

তিন-চারে দুই অস্ট্রেলিয়ান মিচেল মার্শ আর গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে রেখেছেন হার্শা ভোগলে। পাঁচে ইংল্যান্ডের মঈন আলী। এরপর রেখেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল ও সুনীল নারাইনকে। আর সবার শেষে থাকছেন এক স্পিনার ও তিন পেসার।

default-image

স্পিনারের প্রশ্নেও অবশ্য হার্শার দলে জায়গা পেতে ‘লড়েছেন’ শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও আফগানিস্তানের রশিদ খান। সেখানে আফগান লেগ স্পিনারকে বেছে নেওয়ার কারণটা জানিয়েছেন হার্শা ভোগলে, ‘ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও রশিদ খানের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে ভুগতে হয়েছে। তখন ভাবলাম, একজন ব্যাটসম্যান কার বোলিংয়ের মুখোমুখি কম হতে চাইবে? রশিদ খানকেই বেছে নিলাম।’

তিন পেসার হিসেবে ভোগলে দলে রেখেছেন পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি, দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিখ নর্কিয়া ও ভারতের যশপ্রীত বুমরাকে। একাদশের বাইরে ‘১৫ জনের স্কোয়াডে’ বাকি যে চারজনকে রেখেছেন হার্শা ভোগলে, তাঁরা হলেন ভারতের লোকেশ রাহুল, নিউজিল্যান্ডের লকি ফার্গুসন, শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও ইংল্যান্ডের জনি বেয়ারস্টো।

ভোগলের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশ:

জস বাটলার, মোহাম্মদ রিজওয়ান, মিচেল মার্শ, মঈন আলী, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, রশিদ খান, শাহিন আফ্রিদি, আনরিখ নর্কিয়া ও যশপ্রীত বুমরা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন