বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিদের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছেন জাম্পা। দলের জাম্পার অন্তর্ভুক্তি টি-টোয়েন্টি খেলার ধরনটাই বদলে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়ার। নিজের এমন সাফল্যের পেছনে কৃতিত্ব দিয়েছেন গুরুত্ব না পাওয়াকে। মানুষ গুরুত্ব দিতে চায় না বলেই সেরাটা খেলতে পেরেছেন বলে ধারণা তাঁর।

আগামীকাল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া। শিরোপা জেতার জন্য জাম্পা হতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার তুরুপের তাস। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের মুখেই জানালেন যে কীভাবে ছোটবেলা থেকেই অবহেলিত হতেন, ‘আমাকে সব সময়ই উপেক্ষা করা হতো। আমি যখন ১৫-১৬ বছর বয়সী একটা গ্রামের ছেলে ছিলাম, তখনো দেখা যেত শহরের একটা ছেলে আমার থেকে ভালো বল করছে, অথবা আরেকটা ছেলে চলে এসেছে, যে আমার থেকে ভালো লেগ স্পিনার হয়ে গেছে। এমনকি এই টুর্নামেন্ট শেষে আরেকটা সিরিজ যখন আসবে, আমাকে আবারও হয়তো উপেক্ষা করা হবে। কিন্তু আমি এই সময়গুলোতেই ভালো বোলিং করি।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর জাম্পার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন তাঁর সতীর্থ অলরাউন্ডার মার্কাস স্টয়নিস। তিনি বলেন, জাম্পা পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের লাগাম টেনে ধরেছিলেন, ‘সে পাকিস্তানের বিপক্ষে অসাধারণ বোলিং করেছে। সে এমন একটা সময়ে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিতভাবে চার ওভার শেষ করে, যখন পাকিস্তান খুবই ভালো ব্যাটিং করছিল।’

জাম্পার সততারও প্রশংসা করেন স্টয়নিস, ‘জাম্পার সবচেয়ে ভালো দিকটা হলো ও প্রচণ্ড সৎ। বাংলাদেশের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পরেও সে নিজের বোলিং নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না। এটাই ভালো খেলোয়াড়ের একটা গুণ, মাঠে নিজে কী করছে না করছে, সেটা ঠিকঠাকভাবে বুঝতে পারা।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন