বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে নিজেদের যেটুকু করার ছিল, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সে কাজটা করে রাখল পাঞ্জাব। বোলারদের সমন্বিত পারফরম্যান্সে চেন্নাইকে ১৩৪ রানেই আটকে দেওয়ার পর অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের ৪২ বলে অপরাজিত ৯৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ৭ ওভার বাকি থাকতেই ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে পাঞ্জাব। ফলে রান রেটেও বড় উন্নতিই হলো তাদের।

দুবাইয়ে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে চেন্নাইয়ের শুরুটাই আজ হয়েছে বড্ড ধীরগতির। রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের পর মঈন আলীর উইকেট হারিয়ে প্রথম ৬ ওভারে তারা তুলতে পেরেছে মাত্র ৩০ রান। একদিকে ফাফ ডু প্লেসি টিকে থাকলেও অন্যপ্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে আরও চাপে পড়ে গেছে তারা।

default-image

ডু প্লেসি পরে রানের গতি বাড়িয়েছেন। একসময় ৩৯ বলে ৪০ রান করা ডু প্লেসি শেষ পর্যন্ত করেছেন ৫৫ বলে ৭৬ রান। শেষ ৪ ওভারে চেন্নাই তুলেছে ৪৮ রান। এ ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা ক্রিস জর্ডান ২০ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। ৩৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন অর্শদীপ সিং–ও। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ শামি ও রবি বিষ্ণয়।

ইনিংসের শেষ দিকে পাওয়া এই ইতিবাচকতা অবশ্য কাজে আসেনি চেন্নাইয়ের। সেটার জন্য ‘দায়ী’ রাহুলই। মায়াঙ্ক আগারওয়ালের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতেই ৪৬ রান তুলে ফেলেন রাহুল, পাওয়ার প্লেতে আসে ৫১ রান। রাহুল থামেননি এরপরও। মাত্র ২৫ বলেই ফিফটি পূর্ণ করে ফেলেছেন। শার্দুল ঠাকুরকে চারের পর ছয় মেরে জয় নিশ্চিত করলেও শতকের ২ রান আগেই থামতে হয়েছে রাহুলকে। ইনিংসে সব মিলিয়ে ৭টি চার, ৮টি ছয়।

default-image

অবশ্য পাঞ্জাবের জন্য এমন জয়ও যথেষ্ট না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। শেষ চারে যেতে হলে এখন তাদের সামনে বেশ কয়েকটা ‘যদি-কিন্তু’র বাধা। পাঞ্জাবকে পরের পর্বে যেতে হলে, প্রথমে কলকাতাকে হারতে হবে রাজস্থানের বিপক্ষে। শুধু সেটাই নয়, মুম্বাইকেও হারতে হবে হায়দরাবাদের সঙ্গে। আবার আছে রান রেটের হিসাবও। চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচের পর পাঞ্জাবের রান রেট এখন -০.০০১। অন্যদিকে রাজস্থানের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগেই কলকাতার রান রেট ০.২৯৪। এমনিতে পাঞ্জাবের সমান ১২ পয়েন্ট কলকাতার।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন