বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেন এবং কীভাবে? এ প্রশ্নের জবাব দেওয়ার আগে জানিয়ে রাখা ভালো, ম্যাচে স্পিডগানে বোলারের যে গতি দেখায়, সেটাই প্রাথমিকভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়। স্পিডগান ভুল করলে সে হিসাবটা পরে বোঝা যায়। কিন্তু ভুলটা ধরা পড়ার আগপর্যন্ত ঠিকই বিস্ময়ে চোয়াল ঝুলে পড়ে। কাল শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম টি-টোয়েন্টিতে এমন বিস্ময়কর ভুলই চোখে পড়েছে সবার।

বাংলাদেশের ইনিংসে দ্বিতীয় ওভারে বল করতে আসেন পেসার হাসান আলী। তাঁর দ্বিতীয় ডেলিভারির গতি স্পিডগানে দেখায় ঘণ্টায় ২১৯ কিলোমিটার! অর্থাৎ মাইলের হিসাবে ঘণ্টায় ১৩৬.১ মাইল গতিতে বল করেছেন হাসান আলী। আসলেও কি তাই? বিজ্ঞানসম্মতভাবেই তো এত গতিতে মানুষের পক্ষে বল করা অসম্ভব!

পরে জানা যায়, স্পিডগানে কারিগরি ত্রুটির কারণে তা হাসানের ওই ডেলিভারিতে ভুল গতিসীমা দেখায়। ততক্ষণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাড়া পড়ে যায়। পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার জুনায়েদ খান মজা করে টুইট করেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির বোলার হওয়ায় হাসান আলীকে অভিনন্দন। শোয়েব আখতার এখন দ্বিতীয় সেরা। হা হা মজার ভুল।’

পাকিস্তানি এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ে মজার সব টুইট করা পেজ ‘ডেনিস’থেকেও একটি পোস্ট করা হয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তানের হারে ক্যাচ ছেড়ে ‘খলনায়ক’ হয়েছিলেন হাসান আলী।

তখন প্রচুর সমালোচনার শিকার হওয়ায় হাসান আলীর পক্ষে করা পোস্টে মজা করে বলা হয়, ‘হাসান আলীর নিন্দুকেরা, এবার দেখো।’একটি ছবিও জুড়ে দেওয়া হয় সেই পোস্টে। সে ছবিতে বলের গতি ঘণ্টায় ২১৯ কিলোমিটার। ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের জয়ে বড় ভূমিকা রাখা হাসান পরে ম্যাচসেরাও হন।

default-image

শুধু হাসান আলী-ই নন, মোহাম্মদ নওয়াজের বোলিংয়ের সময়ও আরও একবার ভুল করেছে স্পিডগান। বাঁহাতি এ স্পিনারের একটি ডেলিভারির গতি দেখানো হয় ঘণ্টায় ৯২ মাইল। টুইটারে রসিকতা শুরু হয় ‘আলোর গতিতে’ বল করছেন নওয়াজ।

পাকিস্তানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার উমাইদ আসিফ টুইটে জানতে চান, ‘নওয়াজ যেহেতু এত গতিতে বল করছে, শাহিন শাহ আফ্রিদির প্রয়োজন আছে কি না?’
ম্যাচটা ৪ উইকেটে জিতে শাহিন আফ্রিদির অভাবটা টের পায়নি পাকিস্তান।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন