বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৭৭ রান নিয়েও মধ্যাঞ্চলের লড়াইটা শুরু হয় ইনিংসের শুরুতেই। বাঁহাতি পেসার আবু হায়দারের বলে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেটের পেছনে শূন্য রানে ক্যাচ দেন মোহাম্মদ আশরাফুল। রনি তালুকদার ও ইমরুল কায়েস অবশ্য এরপর উইকেটে কিছুটা থিতু হয়ে লড়াই করেন।

default-image

তাঁদের ৬৪ রানের জুটি ভাঙে হাসান মুরাদের বাঁহাতি স্পিনে। ব্যাকফুট থেকে খেলতে গিয়ে ২৫ রান করা ইমরুল এলবিডব্লু হয়ে মাঠ ছাড়েন। পরের ওভারেই আউট আরেক অভিজ্ঞ রনি। এবার মোসাদ্দেক হোসেনের বলে সাকিবকে ক্যাচ দেন তিনি।

অন্য প্রান্ত থেকে বোলিং করে যান সাকিব। মাঝের ওভার জুড়ে এই তিন স্পিনারই রানের লাগাম ধরে রাখেন শক্ত হাতে। তাতে উপহার হিসেবে উইকেটও আসতে থাকে। তিন স্পিনারের ৩০ ওভার থেকে পূর্বাঞ্চল রান নিয়েছে মাত্র ৬৫, উইকেট দিয়েছে ৫টি।

তবু স্কোরবোর্ডে রান কম থাকায় পূর্বাঞ্চলের জয়ের যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল। নাদিফ চৌধুরী ও আলাউদ্দিন বাবু ৩৪ রানের জুটি গড়ায় সেই সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়। ততক্ষণে আবার সাকিব, মুরাদ ও মোসাদ্দেকের ওভার শেষ।

ম্যাচ জেতানোর দায়িত্বটা তখন বর্তায় পেসারদের ওপর। কিন্তু শেষের দিকে মৃত্যুঞ্জয় বোলিংয়ে এসে উল্টো রান দিয়ে পূর্বাঞ্চলকে জয়ের দিকে এগিয়ে দিচ্ছিলেন। অবশ্য তাঁর জায়গায় বোলিংয়ে এসে সৌম্য সরকার মধ্যাঞ্চলের জয়ে ভূমিকা রাখেন।

default-image

সৌম্যর করা পরপর দুই বলে নাদিফ (২৮) ও আলাউদ্দিন (১৭) আউট হলে মধ্যাঞ্চলের ফিল্ডারদের মধ্যে চাঙা ভাব ফিরে আসে। সে জন্যই কিনা, পূর্বাঞ্চলের শেষের দিকের ব্যাটসম্যান তানভীর ইসলামকে সরাসরি থ্রোতে রানআউট করেন মোহাম্মদ মিঠুন। রুবেল হোসেনকেও নিজের বোলিংয়ে ফিল্ডিং করে রানআউট করেন আবু হায়দার। পরপর রানআউটের রোমাঞ্চ ছড়িয়ে জয় পায় মধ্যাঞ্চল।

সকালে ব্যাটিং করতে নেমে সিলেটের কন্ডিশন উপভোগ করেননি মধ্যাঞ্চলের ব্যাটসম্যানরাও। সকালের বাউন্স ও মুভমেন্টের সঙ্গে লড়তে হয়েছে তাঁদের। অভিজ্ঞ রুবেল হোসেন ও তরুণ রেজাউর রহমান ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন। দুই স্পিনার তানভির ইসলাম ও নাঈম হাসানও মিতব্যয়ী বোলিং করেন।

ওপেনার মিজানুর রহমান ৩৬ রান করে আউট হন। এরপর সাকিবকে ৫৮ বল খেলে করেছেন ৩৫ রান। এ ছাড়া মিঠুনের ৩৭ রান ছিল মধ্যাঞ্চলের ইনিংসের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন