আইসিসির সহযোগী দেশ বলে তাদের বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসতে হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি
ছোট দলই নামছে লড়াইয়ে। অপেক্ষা এখন ছোটদের দুটি ‘বড়’ লড়াইয়ের
আজ আয়ারল্যান্ড–আমিরাত
ইংলিশ কাউন্টি খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইরিশদের বিশ্বকাপে শুরুটা হয়েছে দুর্দান্ত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর স্মৃতিটা একেবারেই তরতাজা। আরব আমিরাত সে তুলনায় একটু পিছিয়ে। ‘অভিবাসী’দের নিয়ে গড়া দল, নিজেদের কয়েকটি বিখ্যাত ভেন্যু থাকলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পদচারণ তেমন নয়। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও জিততে পারেনি। মার খেয়েছে অভিজ্ঞতার কাছে। দুদলেরই সাক্ষাৎ এবার ব্রিসবেনের গ্যাবায়। আজ সকাল সাড়ে নয়টায় ম্যাচ।
আইসিসির পরিকল্পনায় এখন দশ দলের বিশ্বকাপ, মুখোমুখি লড়াইয়ের কথা ভুলে দুই অধিনায়কই তাই গাইছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেটের জয়গান। আইরিশ অধিনায়ক উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড তো অবতীর্ণ হয়েছেন নেতার ভূমিকায়, যিনি দুঃসময়ে সব ভুলে এক সুতোয় গাঁথেন সবাইকে, ‘বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা চার দলের পারফরম্যান্সই দারুণ। আমাদের তা অব্যাহত রাখতে হবে। আফগানিস্তান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততে পারত, স্কটল্যান্ড সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ করছে। আর আরব আমিরাত যেভাবে জিম্বাবুয়েকে ২৮৫ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল, শন উইলিয়ামস না থাকলে ফলাফল অন্য রকমও হতে পারত।’ আর আমিরাত অধিনায়ক খুররম খান আইসিসির নীতির সমালোচনার পাশাপাশি বলছেন, ফিল্ডিংয়ের দিকে নজরটা বেশি দিতে হবে তাঁদের।
নিজেদের প্রমাণের জন্য হলেও দুদলকেই তাই মুখোমুখি লড়াইয়ে দিতে হবে সেরাটাই। ক্রিকইনফো।

কাল স্কটল্যান্ড–আফগানিস্তান
স্কটল্যান্ড বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতায় আফগানিস্তানের চেয়ে এগিয়ে। স্কটিশদের এটি তৃতীয় বিশ্বকাপ, আফগানিস্তানের প্রথম। তবে দুদলের কাছেই জয় এখনো অধরা। ইতিহাস বদলের সুযোগ দুদলের সামনেই। ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালের সেই সাক্ষী হওয়ার অপেক্ষা শুরু হবে আগামীকাল ভোর চারটা থেকে।
দুদলের বিশ্বকাপের শুরুতেও আছে মিল। বাংলাদেশের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে শুরু আফগানিস্তানের। এরপর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আশাই জাগিয়ে তুলেছিল মোহাম্মদ নবীর দল। আর কিউইদের সাত উইকেট তুলে নিয়ে প্রত্যাশার সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা ছিল স্কটল্যান্ডের। তবে প্রেস্টন মমসেনের দল পাত্তা পায়নি ইংলিশদের কাছে।
ওয়ানডেতে মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এগিয়ে আফগানিস্তান। পরস্পরের আট সাক্ষাতে পাঁচবার জিতেছে আফগানরা, তিনটি জয় স্কটিশদের। সর্বোচ্চ রান কাইল কোয়েটজারের ২৩৮, ১২ উইকেট জশ ডেভির।
নিজেদের শেষ ম্যাচের পর দুই অধিনায়কই ম্যাচ জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। ‘পুঁচকে’দের লড়াই বলে এড়িয়ে যেতে পারেন অনেকেই, কিন্তু নিজেদের কাছে গুরুত্বের ভারে এটি রোমাঞ্চের পারদ উপচানো ম্যাচ।
একটা জমজমাট লড়াইয়ের আশা করতেই পারেন ডানেডিনের দর্শকেরা। ক্রিকইনফো।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন