default-image

করোনার কাজে ব্যবহারের জন্য দেশের বেশ কয়েকটি ক্রীড়া স্থাপনা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মধ্যে আছে টেস্ট ভেন্যু চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামও।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান গতকাল প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ছাড়া পাশের চট্টগ্রাম বিকেএসপি, মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম, গুলশান শুটিং কমপ্লেক্স, রাজশাহী মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সসহ আরও কয়েকটি ক্রীড়া স্থাপনাও করোনার কাজে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'প্রয়োজনে যেকোনো সময় এগুলোকে কোয়ারেন্টিন সেন্টার, আইসোলেশন সেন্টার বা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার শুরু করা হবে।'

বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির ব্যবস্থাপক সৈয়দ আবদুল বাতেন অবশ্য বলেছেন, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের করপোরেট বক্সগুলোই শুধু আইসোলেশন সেন্টারের জন্য নেওয়া হবে। বিদেশফেরত যাত্রীদের এখানে রাখা হতে পারে। মাঠ বা ড্রেসিংরুম ব্যবহার করা হবে না।


গুলশানে জাতীয় শুটিং কমপ্লেক্স ১ জুন থেকেই চলে গেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অধীনে।


শুটিং ফেডারেশনের মহাসচিব ইন্তেখাবুল হামিদও জানিয়েছেন, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের একটা অংশকে এখানে কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। কমপ্লেক্সে খেলোয়াড়, কর্মকর্তাদের মোট ৪০টি কক্ষ আছে। গত মার্চে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে শুটিং কমপ্লেক্সে খেলোয়াড়দের আবাসিক ক্যাম্প বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে শুটাররা নিজ নিজ বাড়িতে আছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0