বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মুশফিককে ‘বিশ্বের অন্যতম সেরা উইকেটকিপার’ উল্লেখ করে নুরুল আজ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘মুশফিক ভাই তো ১৬-১৭ বছর ধরে বাংলাদেশ দলে খেলছেন। শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বেরই সেরা উইকেটকিপারদের একজন তিনি। আমি সব সময়ই চাই যে তাঁর কাছ থেকে, তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে যেন শিখতে পারি। যে জিনিসগুলো শেখার আছে, সব সময় সেসব নিয়ে কথা হয়। শুধু সিরিজের শেষ ম্যাচের আগে নয়, এমনকি যখন জাতীয় দলের বাইরে ছিলাম, তখনো ফিটনেস, ব্যাটিং ও উইকেটকিপিং নিয়ে সব সময় কথা হতো আমাদের। সব সময়ই তাঁর কাছ থেকে সমর্থন পাই আমি।’

প্রায় তিন বছর দলের বাইরে থাকার পর গত জিম্বাবুয়ে সফরে জাতীয় দলে ফিরেছেন নুরুল। বলছেন, মাঝের সময়টাতে মানসিকতায় পরিবর্তন এসেছে তাঁর, ‘সবচেয়ে বড় ব্যাপারটা হলো, মাঝে দু-তিন বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকার সময়ে নিজের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে পেরেছি। এখন আসলে খুব বেশি কিছু যায়-আসে না আর। দলের হয়ে খেলার সময় দলের জয়ে ভূমিকা রাখার চেষ্টাই আমার প্রথম দায়িত্ব। এ ছাড়া আর কোনো কিছুতে কিছু যায়-আসে না। বড় বিষয় হলো, আমি পরিকল্পনা অনুযায়ী কঠিন পরিশ্রম করতে চাই। যেসব আমার নিয়ন্ত্রণে নেই, অতীত-ভবিষ্যৎ—এসব নিয়ে খুব একটা ভাবি না।’

default-image

সম্প্রতি বাংলাদেশের ফিল্ডিংয়ের সময় উইকেটের পেছনে সরব নুরুলও এসেছেন আলোচনায়। তবে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্বটাকেও ব্যাটিং বা ফিল্ডিংয়ের মতো করেই দেখেন নুরুল, ‘একাদশের বাইরে থাকলেও আমি এটাই ভাবি—দলের জন্য কতটুকু করতে পারছি। সেটা ব্যাটিং হোক বা কিপিং-ফিল্ডিং হোক। আমার সামনে যে দায়িত্ব থাকবে, সেটা কতটুকু (পালন) করতে পারছি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।’

দিন শেষে তাই একটা ফিফটি বা সেঞ্চুরির চেয়েও দলের জয়ে ভূমিকা রাখাই বড় তাঁর কাছে, ‘সব থেকে বড় হলো, আমার দায়িত্ব কতটুকু পালন করতে পারছি। যেকোনো সময় ব্যর্থ হতেই পারি। কিন্তু তা নিয়ে না ভেবে, প্রতিটা ম্যাচে শিক্ষা থাকে যে এই জায়গা থেকে আমি কীভাবে নিজেকে তুলে আনতে পারব। আমার কাছে ব্যাটসম্যান হিসেবে ৫০ বা ১০০ করেও যদি দল হারে, সেটার চেয়ে পরিস্থিতির চাহিদামতো ১০-২০ রানও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তো আমার লক্ষ্য সেটাই থাকে—যে পজিশনেই খেলি না কেন, দলের জয়ে যাতে ভূমিকা রাখতে পারি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন