default-image

নিজের শেষ ওভারের পঞ্চম বলটাতে ছক্কা খেলেন মুস্তাফিজুর রহমান, কিন্তু ব্যথাটা কি ছুঁয়ে গেল অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারকে! সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়কের অভিব্যক্তিতে যেন অবিশ্বাস ফুটে উঠল, মুস্তাফিজও ছক্কা খায়! প্রায় ‘অবিশ্বাস্য’ ব্যাপারটি না ঘটলে কালও মুস্তাফিজের বোলিং ফিগারটা ১২ দিন আগের কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ম্যাচের মতো হতে পারত (৪-১-৯-২)। কালও অবশ্য যথেষ্টই ভালো হয়েছে বোলিং। কাটার, স্লোয়ার আর হঠাৎ পেসে বিভ্রান্ত করা ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে পেলেন ২ উইকেট।
বাংলাদেশি পেসারের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে আগে ব্যাট করে গুজরাট লায়ন্স করতে পারল মাত্র ১২৬ রান। বোলিংয়ে তিনি ষষ্ঠ ওভারে আসবেন, এটা তো সানরাইজার্সে নিয়মই হয়ে গেছে। নিয়মের ব্যত্যয় হলো না এ ম্যাচেও, মুস্তাফিজুর রহমান বল পেলেন পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে। আসতে দেরি, কিন্তু ত্রাস ছড়াতে তো দেরি করা যায় না! প্রথম বলেই উইকেট পেতে পারতেন, যদি ব্রেন্ডন ম্যাককালামের সহজ ক্যাচটা হাতছাড়া না করতেন শিখর ধাওয়ান। মুস্তাফিজের অপেক্ষা ঘুচল তিন বল পর। অফ কাটারে মারতে গিয়ে ক্যাচ উঠিয়ে দিলেন দিনেশ কার্তিক, নিচু হয়ে আসা বলটি দুর্দান্তভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুঠোবন্দী করলেন কেন উইলিয়ামসন। প্রথম ওভারে ওই ১ উইকেট, রান দিলেন ২। দ্বিতীয় ওভারে তো আরও ‘কিপ্টে’, মাত্র ১ রান দিলেন মুস্তাফিজ। শেষ ২ ওভারে লাগামটা একটু ছুটে গেল। তৃতীয় ওভারে দিলেন ৬ রান। চতুর্থ ওভারে ওই ছক্কাসহ ৮। অবশ্য শেষ ওভারের প্রথম বলেই তুলে নিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার উইকেট।
মুস্তাফিজের সাফল্যের রাতে ৫ উইকেটে জিতেছে তাঁর দল হায়দরাবাদ। কাল হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রান তাড়া করতে এসে স্বাগতিকেরা ১ ওভার হাতে রেখে ৫ উইকেটে তুলে ফেলে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান। ক্রিকইনফো, সনি-ইএসপিএন।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন