default-image

সেটা হয়নি। হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছে কাতালানরা। ১-০ গোলের জয়ে পুরো তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছেড়েছে তাঁরা। জয়ের নায়ক গ্যাবনিক স্ট্রাইকার পিয়ের-এমেরিক অবামেয়াং।

১১ মিনিটে ফরাসি উইঙ্গার উসমান দেম্বেলের শট পোস্টে লাগলে বল চলে যায় প্রতিপক্ষের পায়ে, সেখান থেকে বল উদ্ধার করে বক্সে ফাঁকা দাঁড়িয়ে থাকা ফেরান তোরেসের কাছে পাঠিয়ে দেন গাভি। অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা অবামেয়াংকে ক্রস করে বাকিটা নিয়ে আর চিন্তা করতে হয়নি তাঁর। লক্ষ্যভেদী হেডে দলকে এগিয়ে দেন আর্সেনাল থেকে জানুয়ারিতে বার্সেলোনায় আসা এই স্ট্রাইকার। তাতেই নিশ্চিত হয়, তিন পয়েন্টই পাচ্ছে বার্সেলোনা।

সেভিয়ার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান এখন নেই বার্সেলোনার। কিন্তু মুখোমুখি লড়াই এবং গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সুবাদে বার্সেলোনাই পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।

লিগ শিরোপা না জিততে পারলেও দ্বিতীয় স্থানে মৌসুম শেষ করা বড্ড দরকার। তাতে আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার লাইসেন্স তো পাওয়া যাবেই, সঙ্গে সুপারকোপা খেলারও অধিকার পাবে বার্সেলোনা। যে দুই প্রতিযোগিতা থেকে আসা অর্থ বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য বড্ড দরকারি।

default-image

ম্যাচ জিতলেও, দলের খেলা মন ভরাতে পারেনি জাভির। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে যেভাবে দল খেলেছে, সেটা নিয়েই খুঁতখুঁত করছে জাভির মন, ‘আমি তিন পয়েন্ট নিয়ে সন্তুষ্ট। এই দল ও তার ভবিষ্যতের জন্য জয়টা অনেক দরকার ছিল। তবে ম্যাচে আমাদের খেলানি নিয়ে আমি সন্তুষ্ট নই। আমরা দ্বিতীয়ার্ধে অনেক ভুগেছি। আমাদের এ ব্যাপারে সৎ থাকতে হবে, আত্মসমালোচনা করতে হবে। আমরা ভালো খেলিনি। আমাদের উন্নতির জায়গা আছে আরও।’

বার্সেলোনার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ ম্যাচটাই জাভির কাছে অন্যতম কঠিন বলে মনে হয়েছে, ‘এটা এমন এক ম্যাচ ছিল, যেটায় আমরা সবচেয়ে বেশি ভুগেছি। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচটার মতো। ম্যাচের কিছু কিছু সময়ে আমরা যে ক্লান্ত, সেটা বোঝা গেছে। জর্দি (আলবা), রোনালদ (আরাউহো), (জেরার্দ) পিকে, সবাই পুরো ফিটনেসে নেই। যে কারণে আমরা ভুগছি। সবাই অনেক ক্লান্ত। সূচিও সাহায্য করছে না। আমি ৯০ মিনিট ধরে প্রেস করতে চাই, কিন্তু সেটা পারছি না।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন