বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে এর আগে লিটন ইনিংসে গিয়ার বদলেছেন দারুণভাবে। ফিফটি করতে তাঁর লেগেছিল ৭৮ বল, ক্যারিয়ারে মন্থরতম ফিফটি ছিল সেটি তাঁর। এরপরের ৫০ রান করতে তাঁর লেগেছে মাত্র ৩২ বল। ইনিংসে লিটন মেরেছেন ৮টি চার।

লিটনের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪ সেঞ্চুরির তিনটিই এল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ২০২০ সালে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই স্বপ্নের মতো এক সিরিজ কাটিয়েছিলেন লিটন, তিন ম্যাচের দুটিতেই করেছিলেন সেঞ্চুরি। দুই সেঞ্চুরির একটি ইনিংস আবার ছিল ১৭৬ রানের, যেটি ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর।

তবে সে সিরিজের পরই ছন্দপতন হয়েছিল লিটনের। এরপর ৮ ইনিংসে একবারও ২৫ রান পেরোতে পারেননি। এই ৮ ইনিংসের মধ্যে তিনবার আউট হয়েছেন কোনো রান না করেই।

default-image

বাজে ফর্মের কারণে বাদই পড়েছিলেন দল থেকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দেশের মাটিতে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে তাঁকে নেওয়া হয়নি। তাঁর জায়গায় সেদিন ওপেনিংয়ে খেলানো হয়েছিল মোহাম্মদ নাঈমকে।

হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে কদিন আগে লিটন সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে প্রস্তুতি ম্যাচে তামিম ইকবালের সঙ্গে ওপেন করেছিলেন নাঈমই, লিটন খেলেছিলেন চার নম্বরে। মুশফিকুর রহিমের অনুপস্থিতিতে লিটনের একাদশে ফেরার পথটা সহজ হয়ে যায়, তবে তাঁকে কোন পজিশনে খেলানো হবে, সেটি ম্যাচের আগে নিশ্চিত করেননি অধিনায়ক তামিম।

default-image

শেষ পর্যন্ত তামিমের ওপেনিং সঙ্গী হলেন লিটনই। নাঈম জায়গাই পেলেন না একাদশে। অবশ্য ওপেনিংয়ে নেমে ওপাশে তামিমকে দ্রুতই ফিরতে দেখেছেন লিটন, অধিনায়ক ফিরেছিলেন বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশিবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড গড়ে।

এরপর বাজে শটের মহড়ায় মেতেছিলেন সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেনরা। তবে মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ৯৩ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে চাপ থেকে উদ্ধার করেছেন লিটন।

উদ্ধার পেলেন নিজেও। ওয়ানডের ফর্মটা তো তাঁকেও চাপে ফেলে দিয়েছিল!

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন