বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ থেকে বিদায় নিয়েছে ভারত। এর মধ্য দিয়ে ভারতের কোচ হিসেবে শাস্ত্রী অধ্যায়েরও পরিসমাপ্তি ঘটল। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে ভারতের দায়িত্ব ছাড়ার কথা তিনি আগেই জানিয়েছিলেন।

আইপিএল শেষেই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জৈব সুরক্ষাবলয়ে ঢুকেছেন ভারতের ক্রিকেটাররা। গত ১৫ অক্টোবর আইপিএলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। মাঝে এক দিন বিরতির পর সংযুক্ত আরব আমিরাতেই শুরু হয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

default-image

অর্থাৎ, আইপিএলের জৈব সুরক্ষাবলয় থেকে ক্রিকেটাররা সরাসরি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জৈব সুরক্ষাবলয়ে পা রেখেছেন। এই বলয় যেন অন্য পৃথিবী—হোটেল থেকে মাঠ এবং মাঠ থেকে হোটেল।

করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা পেতে মাঠের বাইরে থাকতে হয় চার দেয়ালের মধ্যে। একঘেয়ে জীবন বলতে যা বোঝায়, সেটিই। মনটা ফুরফুরে করতে ক্রিকেটারদের বাইরে ঘুরতে কিংবা খেতে যাওয়ারও অনুমতি নেই। টুর্নামেন্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব সময়ই বলয়ের মধ্যেই থাকতে হয়।

নামিবিয়ার বিপক্ষে ভারতের শেষ ম্যাচের পর শাস্ত্রী বলেন, ‘একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই। তবে এটা কোনো অজুহাত নয়, বাস্তবতা। ছয় মাস যখন জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকবেন, এই দল থেকেছে, কেননা অনেকেই তিন সংস্করণেই খেলে থাকে। গত ২৪ মাসের মধ্যে মাত্র ২৫ দিন নিজেদের বাসায় থাকতে পেরেছে খেলোয়াড়েরা। ব্র্যাডম্যান হলেও এই জৈব সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে তার গড় কমত। কারণ, সে মানুষ।’

ইংল্যান্ডে চার মাসের সফরে জৈব সুরক্ষাবলয়ে ছিল ভারত জাতীয় দল। সেখান থেকে আইপিএলের বলয়ে পা রাখেন ক্রিকেটাররা, এরপর শুরু হয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকার ধকল নিয়ে আগেই কথা বলেছেন ভারতের কোচ কোহলি, ‘এটা এমন না যে আপনি পেট্রল ঢাললেই কেউ অতিরিক্ত কাজ করতে পারবে। এভাবে হয় না। আমার মনে হয় সময়টা কঠিন। তাই আমি বলে থাকি জীবনে কী অর্জন করলেন, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো কী কী বাধা টপকালেন। এই দলটা তেমন সব বাধাই পেরোচ্ছে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন