বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পঞ্চম দিনের সম্ভাবনার প্রসঙ্গে লিটন যেমন বলছিলেন, ‘চেষ্টা থাকবে যত কমে তাদের অলআউট করা যায়। তারপর সেই রান তাড়া করার ব্যাপার আসবে। তবে এই উইকেটে সেটা যে খুব সহজ হবে, তা কিন্তু নয়। অনেক পরিশ্রম করতে হবে। তবে আমরা শান্ত আছি। আমাদের জিততেই হবে, এমন কথা নেই। আমরা প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। সেই প্রক্রিয়া ধরেই সফল হয়েছি, সামনেও হব বলে আশা করছি।’


চতুর্থ দিন বিকেলে এবাদত হোসেনের অবিশ্বাস্য স্পেল বাংলাদেশের সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই লিটনের সংবাদ সম্মেলনে এবাদতকে নিয়েই প্রশ্ন হলো বেশি।

default-image

উইকেটের পেছনে থেকে সতীর্থ ফাস্ট বোলারের এমন বোলিং দেখে নিজের মুগ্ধতার কথাই বললেন লিটন, ‘এবাদত আজ দুর্দান্ত ছিল। ওর দুটো স্পেলই চমৎকার ছিল। আমার মনে হয়, সে একই জায়গায় বল করার কারণে অনেক সাহায্য পেয়েছে। তার ব্রেকথ্রু আমাদের দলকে অনেক চাঙা করেছে।’

তবে সতীর্থদের আগামীকালের দায়িত্বের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন লিটন, ‘আমরা এখন যে অবস্থায়, সে জন্য খুব বেশি রোমাঞ্চ অনুভব করছি না। আমাদের এখনো কম রান দিয়ে ৫ উইকেট নিতে হবে। সেই রান তাড়া করতে হবে।’

দিন শেষে বাংলাদেশের বোলিংয়ের আলোচনায় চাপা পড়েছে প্রথম সেশনে মেহেদী হাসান মিরাজ ও ইয়াসির আলীর ব্যাটিং। আগের দিন বিকেলে লিটন ও মুমিনুল হক আউট হওয়ার পর এই জুটি ১৬০ বল খেলে আরও ৭৫ রান যোগ করে বাংলাদেশকে প্রথম ইনিংসে ১৩০ রানের লিড নিতে সাহায্য করেছে।

লিটন বলছিলেন, ‘আমরা চাইছিলাম অন্তত ১০০ বা ১২০ রানের একটা লিড যেন হয়। যদি ১৫০ হতো তবে খুবই ভালো হতো। আমাদের পরিকল্পনা ছিল উইকেটে টিকে থেকে বেশি করে বল খেলা। কারণ, আমরা যতক্ষণ খেলব, খেলা ততক্ষণ আমাদের হাতে থাকবে। সেদিক থেকে মিরাজ ও ইয়াসির খুবই ভালো করেছে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন