হারের পর মাঠ ছাড়ছে বাংলাদেশ দল
সম্প্রচার শেষ ১৯ নভেম্বর ২০২১, ১৭: ৫৭

বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম টি-টোয়েন্টি

শেষ ওভারে ছক্কা মেরে জিতল পাকিস্তান

১৩: ৩৭, নভেম্বর ১৯

টস জিতলেন মাহমুদউল্লাহ, আগে ব্যাটিং বাংলাদেশের  

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান মুখোমুখি। তরুণ দল নিয়ে বাংলাদেশ নামছে বিশ্বকাপে দারুণ আলো ছড়ানো বাবর আজমের পাকিস্তানের বিপক্ষে।

এরই মধ্যে টস হয়ে গেছে। টস জিতে আগে ব্যাটিং নিয়েছে বাংলাদেশ।

১৩: ৪৩, নভেম্বর ১৯

তিন পেসারের পাশাপাশি এক লেগ স্পিনার নিয়ে নামছে বাংলাদেশ  

তিন পেসার, দুই স্পিনার। ছয় ব্যাটসম্যান। স্পিনারদের মধ্যে একজন লেগ স্পিনার। এই ছকেই আজ একাদশ গড়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ দল:

মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান, আমিনুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।

পাকিস্তান দল:

বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান, ফখর জামান, হায়দার আলী, শোয়েব মালিক, শাদাব খান, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নওয়াজ, হাসান আলী, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ।

১৩: ৫৩, নভেম্বর ১৯

নতুন এক বাংলাদেশ 

সাকিব ও তামিম নেই চোটের কারণে। মুশফিককে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। লিটন আর সৌম্য বাদ পড়েছেন বাজে ফর্মের কারণে। অধিনায়ক মাহমুদউল্লার পেছনে আজ এক তরুণ দল নিয়েই নামছে বাংলাদেশ।

শুধু খেলোয়াড়ই নয়, দলের দিক-নির্দেশনার ক্ষেত্রেও বদল এসেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর অনেক বদল দেখা এই বাংলাদেশ দল কেমন করবে আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে?

১৪: ০২, নভেম্বর ১৯

স্পিনে শুরু পাকিস্তানের

পাকিস্তানের হয়ে বোলিং শুরু করছেন বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ নওয়াজ। বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমেছেন মোহাম্মদ নাঈম ও সাঈফ হাসান। আজ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হলো সাঈফের।

প্রথম ওভারে দেখেশুনে খেলেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় বলে নাঈমের সিঙ্গেলের পর ষষ্ঠ বলে ওয়াইড দেন নওয়াজ। ১ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান বিনা উইকেটে ২।

১৪: ১০, নভেম্বর ১৯

হাসান আলী এসেই ফেরালেন নাঈমকে

প্রথম বলটা ওয়াইড দিয়েছিলেন হাসান আলী। কিন্তু দ্বিতীয় বলে, তাঁর ওভারের প্রথম বৈধ বলেই পেলেন আনন্দের উপলক্ষ। তাঁর অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বলে চালিয়েছিলেন বাংলাদেশ ওপেনার নাঈম। কিন্তু ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল গেল উইকেটকিপারের গ্লাভসে। পাকিস্তান উইকেটকিপার রিজওয়ান আবেদন করেছিলেন, আম্পায়ার তাতে সাড়া দেন। রিভিউ নেওয়ার ব্যাপারে নন-স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা সাঈফের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন নাঈম, পরে নেননি।

নতুন ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন।

ওভারের শেষ বলে নাজমুলও আউট হতে হতে বেঁচে গেছেন। লেগ সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন নাজমুল, কিন্তু বল তাঁর ব্যাটের ওপরের কানায় লেগে ওপরে উঠে যায়। কোনো ফিল্ডার না থাকায় বেঁচে যান নাজমুল।

ওভারে দুটি ওয়াইড ও তিনটি সিঙ্গেলে ৫ রান এসেছে। বাংলাদেশের রান ২ ওভার শেষে ১ উইকেটে ৭।

১৪: ১৯, নভেম্বর ১৯

হাসানের পর ওয়াসিমেরও ধাক্কা

হাসান আলীকে উইকেট পেতে দেখেই কি না, অন্য প্রান্তেও পেসার নিয়ে এসেছে পাকিস্তান। প্রথম ওভার করেছিলেন বাঁহাতি স্পিনার নওয়াজ, তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এলেন পেসার মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র।

হাসান যেভাবে কিছুটা সুইং পাচ্ছিলেন, প্রথম পাঁচ বলে ওয়াসিম তা পাননি। কিন্তু ওভারের শেষ বলেই তিনিও পেয়ে গেলেন প্রার্থিত উইকেট। উইকেটে পড়ার পর হঠাৎ বাউন্স করা বলে স্লিপে ক্যাচ দেন সাঈফ হাসান। বল তাঁর ব্যাটের কানা ছুঁয়ে যায়। টি-টোয়েন্টি অভিষেকে ৮ বলে ১ রান করে ফিরলেন সাঈফ।

সাঈফের উইকেটের আগে ওভারে তিন রান নিয়েছিলেন নাজমুল। ৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ১০।

নতুন ব্যাটসম্যান আফিফ হোসেন।

১৪: ২৫, নভেম্বর ১৯

শুরুর ধাক্কায় নড়বড়ে বাংলাদেশ রান পাচ্ছে না

পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ঝড় তুলবে কি, বাংলাদেশ রানই পাচ্ছে না! হাসান আলীর করা চতুর্থ ওভারে এল ২ রান। টানা দুই ওভারে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানকে হারানো বাংলাদেশের রান ৪ ওভার শেষে ২ উইকেটে ১২।

রান তো আসছেই না, ক্রিজে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের অস্বস্তি পড়ে ফেলা যাচ্ছে স্পষ্ট। প্রথম দুই বলে দুই সিঙ্গেলের পর তৃতীয় বলে উইকেটের পেছনে নাজমুলের ক্যাচের আবেদন হয়েছিল, কিন্তু আম্পায়ার সাড়া দেননি। রিভিউতে দেখে মনে হয়েছে, পাকিস্তান রিভিউ নিলে হয়তো তাদের লাভই হতো।

শেষ বলে এগিয়ে এসে মারতে চেয়েছিলেন নাজমুল। কিন্তু ব্যাটে বলে হয়নি। সিঙ্গেল বের করেও রানের চাপ কমাতে পারছে না বাংলাদেশ।

১৪: ২৮, নভেম্বর ১৯

ফিরে গেলেন নাজমুলও

রানের জন্য হাঁসফাঁস করতে থাকা নাজমুলও ফিরে গেলেন মারতে গিয়ে। ওয়াসিমের বলে নাজমুলের ব্যাট ছুঁয়ে আকাশে উঠে যাওয়া বল বোলিং প্রান্তে ওয়াসিম নিজেই ধরলেন। ৭ রান করে ফিরেছেন নাজমুল। ওভারের দ্বিতীয় বলেও ক্যাচ দিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু ফিল্ডারের একটু সামনে পড়ে বল।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দেখে মনে হচ্ছে, কী করতে হবে সেটিই বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। আফিফ-মাহমুদউল্লাহ মিলে পথ দেখাতে পারবেন দিশেহারা বাংলাদেশকে?

৫ ওভার শেষে এখনো কোনো বাউন্ডারি না দেখা বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ১৬।

১৪: ৩৫, নভেম্বর ১৯

বাউন্ডারি খরা কাটল পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে

অবশেষে! পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে এসে প্রথম বাউন্ডারির দেখা পেল বাংলাদেশ!

হারিস রউফ বোলিংয়ে এসেই প্রথম বলে ওয়াইড দিয়েছিলেন। এরপর বৈধ প্রথম বলেই থার্ডম্যান দিয়ে চার মারেন আফিফ হোসেন। ওভারে আরেকটি ওয়াইড বল করেছেন হারিফ, শেষ পর্যন্ত ৯ রান এসেছে ওভারে। বাংলাদেশের রান ৬ ওভারে ৩ উইকেটে ২৫।

পাওয়ার প্লে-র কী নিদারুণ অপচয়। এমন নয় যে পাকিস্তান একেবারে আহামরি বোলিং করেছে, কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাই পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। যেন পাকিস্তানের বোলারদের সামনে নেমে হকচকিয়ে গেছে বাংলাদেশের অনভিজ্ঞ টপ-অর্ডার।

১৪: ৪১, নভেম্বর ১৯

আফিফের আবার চার

পাওয়ার প্লে শেষে আবার স্পিন নিয়ে এসেছে পাকিস্তান। বাঁহাতি স্পিনার নওয়াজ ফিরলেন। তাঁর দ্বিতীয় বলেই এক্সট্রা কাভার দিয়ে চার মেরেছেন আফিফ। বাউন্ডারিতে হায়দার অনেক চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ঝাঁপিয়ে পড়ে বল ঠেকালেও তাঁর শরীর লেগে যায় সীমানাদড়িতে।

দ্বিতীয় বলে ওই চারের পর মাহমুদউল্লাহ ও আফিফের মধ্যে এক-দুই রান নিয়ে পাকিস্তানের ফিল্ডারদের চাপে রাখার চেষ্টা দেখা গেছে। ওভারে এসেছে ৮ রান। বাংলাদেশের রান ৭ ওভারে ৩ উইকেটে ৩৩।

১৪: ৪৪, নভেম্বর ১৯

অন্য প্রান্তেও স্পিন

এক প্রান্তে বাঁহাতি স্পিনার নওয়াজকে ফেরানোর পর অন্য প্রান্তে লেগ স্পিনার শাদাব খানকেও নিয়ে এসেছে পাকিস্তান। ওভারের শেষ চার বলে চারটি সিঙ্গেল নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ। ৮ ওভারে বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ৩৭।

৮ ওভারে মাত্র দুটি বাউন্ডারি পাওয়া বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস পুনর্গঠনের কাজ করছেন মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ। বাংলাদেশের দুই বাউন্ডারির দুটিই হাঁকানো আফিফ অপরাজিত ১৫ বলে ১৭ রান নিয়ে, মাহমুদউল্লাহর রান ৮ বলে ৬।

১৪: ৫০, নভেম্বর ১৯

অবিশ্বাস্যভাবে বোল্ড মাহমুদউল্লাহ

নওয়াজের বলটা মাহমুদউল্লাহর ব্যাট এড়িয়ে উইকেটকিপারের হাতের দিকেই যাচ্ছিল। কিন্তু পেছন থেকে উইকেটকিপার রিজওয়ান ক্যাচের আবেদন করেই পরে আউটের উল্লাসে মেতে ওঠেন। আঙুল দিয়ে স্টাম্পের দিকে দেখিয়ে বোঝালেন, বোল্ড হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু মাহমুদউল্লাহও নিশ্চিত ছিলেন না, দুই আম্পায়ারও নন। পরে তৃতীয় আম্পায়ারের রিভিউতে দেখা যায়, বল উইকেটকিপারের হাতে যাওয়ার সময় স্টাম্পের বেলে একেবারে আলতোভাবে লাগে, তাতেই বেল পড়ে যায়!

মাহমুদউল্লাহ ফিরলেন ১১ বলে ৬ রান করে। আফিফ ও মাহমুদউল্লাহ মিলে আস্তে আস্তে ইনিংস পুনর্গঠনের চেষ্টা করছিলেন, সেটি আর হলো না। বাংলাদেশের রান ৯ ওভারে ৪ উইকেটে ৪০।

১৪: ৫৪, নভেম্বর ১৯

রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেলেন আফিফ, শাদাবের মেডেন

মাহমুদউল্লাহ আউট হওয়ার পর নতুন ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান। দশম ওভারে শাদাবের ছয় বলে অবশ্য তিনি স্ট্রাইক পাননি। তবে আফিফ ছয় বলের কোনোটিতে রান পাননি। ওভারের পঞ্চম বলেই অবশ্য আউট হয়ে যাচ্ছিলেন আফিফ। শাদাবের বলে তাঁর বিরুদ্ধে এলবিডব্লুর আবেদনে আঙুল তুলে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। কিন্তু আফিফ সঙ্গে সঙ্গেই রিভিউ নেন। পরে দেখা যায়, বল অফ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে যেত। বেঁচে যান আফিফ।

ওভারে কোনো রান আসেনি। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৪০।

১৪: ৫৭, নভেম্বর ১৯

ইনিংসের অর্ধেক শেষে কেমন করল বাংলাদেশ?

চার এসেছে মাত্র দুটি, রান এসেছে মাত্র ৪০টি। উইকেট চলে গেছে চারটি, যার মধ্যে আছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও। ক্রিজে থাকা আফিফ ও নুরুলের পর আর স্বীকৃত কোনো ব্যাটসম্যান তেমন নেই। ইনিংসের প্রথম অর্ধেক, অর্থাৎ ১০ ওভারে কেমন খেলেছে, এরপর আর সম্ভবত আলাদা করে কিছু বলতে হয় না।

তবে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের পুরোনো রোগটা আবার চোখে পড়েছে। উইকেট পড়েছে, রানের চাপ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও আফিফের বাইরে কারও এক-দুই নিয়ে রানের চাপ কমানোর চেষ্টা দেখা যায়নি।

১৫: ০০, নভেম্বর ১৯

আফিফের জোড়া ছক্কায় বাংলাদেশের অর্ধশতক

১১তম ওভারে নওয়াজকে টানা দুই ছক্কা মেরেছেন আফিফ। বলাবাহুল্য, বাংলাদেশের ইনিংসে প্রথম দুই ছক্কা। ওভারের দ্বিতীয় বলে প্রথম ছক্কাটি মেরেছেন লং অফের ওপর দিয়ে, পরের বলে দ্বিতীয় ছক্কাটি আরও দারুণ। এগিয়ে এসে বোলারের মাথার ওপর দিয়ে। এই দুই ছক্কায় বাংলাদেশের ইনিংসে ৫০ রানও এসেছে।

ওভারে শেষ পর্যন্ত ১৫ রান এসেছে। ১১ ওভারে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৫৫। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংসে বাউন্ডারিগুলোর সবই এসেছে আফিফের ব্যাট থেকে।

১৫: ০৬, নভেম্বর ১৯

হারিসের সঙ্গে নুরুলের ধাক্কা

দ্রুত সিঙ্গেল নিতে চেয়েছিলেন আফিফ ও নুরুল। স্ট্রাইক প্রান্তে আফিফ বলটাকে ঠেকিয়ে রেখেই দৌড় দেন। অন্য প্রান্ত থেকে নুরুলের পাশাপাশি বোলার হারিসও দৌড় দেন। একেবারে ক্রিজের কাছে এসে নুরুলের সঙ্গে আলতো ঠোকাঠুকি হয় হারিসের। দুজনই অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই একে অন্যের দিকে হাত দেখিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেন।

ওভারে ৪ রান এসেছে। ১২ ওভারে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৫৯।

১৫: ০৯, নভেম্বর ১৯

এগিয়ে এসে মারতে গিয়েই আউট আফিফ

নওয়াজের ওভারে এগিয়ে এসে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন আফিফ। কিন্তু ১৩তম ওভারে শাদাবের বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়েই কপাল পুড়ল আফিফের। স্টাম্পড হয়ে গেছেন তিনি।

বাংলাদেশের ভঙ্গুর ব্যাটিংয়ে এতক্ষণ পর্যন্ত যা আশা দেখা যাচ্ছিল আফিফের ব্যাটেই। কিন্তু তিনিও ৩৪ বলে ২ চার ২ ছক্কায় ৩৬ রান করে আউট হয়ে গেলেন। বাংলাদেশের ইনিংসে এখন পর্যন্ত আফিফের বাইরে কোনো ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে চার-ছক্কা আসেনি।

১৩ ওভারে ৫ উইকেটে ৬২ রান বাংলাদেশের। ক্রিজে নুরুলের সঙ্গী নতুন ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান।

১৫: ১৩, নভেম্বর ১৯

১৪ ওভার শেষে বাংলাদেশ ৬৭/৫

১৪তম ওভার করেছেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। ওভারে শুধু ৪ রান এসেছে। নতুন ব্যাটসম্যান মেহেদীকে নিয়ে নুরুল হাসানের ওপর এখন বাংলাদেশকে সম্মানজনক একটা স্কোর এনে দেওয়ার দায়িত্ব। নুরুল নিজেও অবশ্য এখনো ছন্দ খুঁজে পাননি। ১০ বলে করেছেন ৭ রান।

১৫: ১৭, নভেম্বর ১৯

শাদাবের বলে নুরুলের ছক্কা

আফিফের পর দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ইনিংসে ছক্কা এল নুরুলের ব্যাটে। শাদাবের করা ওভারের তৃতীয় বলে জায়গায় দাঁড়িয়ে বোলারের মাথার ওপর দিয়ে দারুণ ছক্কা মেরেছেন নুরুল। শেষ বলে কাট করে চার মেরেছেন মেহেদী। পঞ্চম বলে অবশ্য ইনসাইড-এজে বোল্ড হতে হতে বেঁচেছেন মেহেদী।

ওভারে ১৩ রান এসেছে। ১৫ ওভারে বাংলাদেশের রান ৫ উইকেটে ৮০।

১৫: ২৩, নভেম্বর ১৯

ওয়াসিমের বলেও ছক্কা নুরুলের

আগের ওভারে শাদাবকে ছক্কা হাঁকানো নুরুল ওয়াসিমের বলেও ছক্কা হাঁকালেন ১৬তম ওভারে। পঞ্চম বলে অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেংথের বলটাকে লং অফ দিয়ে বাউন্ডারির ওপারে আছড়ে ফেলেন নুরুল।

ছক্কার বাইরে এক-দুইয়ে ৬ রান এসেছে। ওভারে ১২ রান নিয়ে ১৬ ওভারে বাংলাদেশের রান ৫ উইকেটে ৯২। নুরুল ১৮ বলে ২৫ রান নিয়ে অপরাজিত। বাংলাদেশের ইনিংসে এখন পর্যন্ত চারের চেয়ে ছক্কা বেশি। চার ৩টি, ছক্কা ৪টি।

১৫: ২৮, নভেম্বর ১৯

আফিফের মতোই আশা জাগিয়ে ফিরলেন নুরুলও

পাল্টা আক্রমণের আশা দেখিয়ে আফিফ ফিরে গিয়েছিলেন, একই পথ ধরলেন নুরুলও। আগের দুই ওভারে দুই ছক্কা হাঁকানো নুরুল শেষদিকে বাংলাদেশকে কিছু রান এনে দিতে পারবেন, এমন আশা হয়তো করেছিলেন বাংলাদেশের সমর্থকেরা। কিন্তু ১৭তম ওভারে হাসান আলীকে এনে নুরুলকে ফেরাল পাকিস্তান। ওভারের প্রথম চার বলে ৪ রান এসেছিল, পঞ্চম বলে অফ সাইডে মারতে গিয়েছিলেন নুরুল। কিন্তু বল তাঁর ব্যাটের কানায় লেগে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ। ২২ বলে ২ ছক্কায় ২৮ রান করেছেন নুরুল।

তবে নুরুলকে আউট করে যেভাবে হাত দিয়ে তাঁকে প্যাভিলিয়নে যাওয়ার ইঙ্গিত করছিলেন হাসান আলী, সেটি বাংলাদেশের অনেক সমর্থকের পছন্দ হওয়ার কথা নয়। ওভারে ৪ রান এসেছে ১৭ ওভারে বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ৯৬।

১৫: ৩২, নভেম্বর ১৯

অবশেষে ১০০ পার হলো বাংলাদেশের

১৮তম ওভারে এসে অবশেষে ১০০ রান পার হলো বাংলাদেশের। হারিস রউফের করা ওভারের পঞ্চম বলে এক রান নেন ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান আমিনুল, তাতেই বাংলাদেশের হলো ১০০। ওভারে ৫ রান নিয়ে বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ১০১।

১৫: ৩৬, নভেম্বর ১৯

মেহেদীর ছক্কার পর আমিনুল বোল্ড

আগের ওভারে নুরুলকে ফেরানো হাসান আলীকে ওভারের প্রথম বলে বিশাল ছক্কা মেরেছেন মেহেদী হাসান। খাটো লেংথের বলটাকে ডিপ মিডউইকেটে উড়িয়ে মারতে কোনো সমস্যাই হয়নি মেহেদীর। তবে মেহেদীর ছক্কার জবাব হাসান নিয়েছেন ওভারের চতুর্থ বলে আমিনুলকে বোল্ড করে। নতুন ব্যাটসম্যান তাসকিন এসেই দুই রান নিয়েছেন।

ওভারে ১১ রান এসেছে। ১৯ ওভারে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ১১২।

১৫: ৩৯, নভেম্বর ১৯

শেষ ওভারে কত রান করতে পারবে বাংলাদেশ? 

আগের ওভারে ছক্কা হাঁকানো মেহেদী ১৫ বলে ২১ রান নিয়ে অপরাজিত। তাঁর ওপরই নির্ভর করছে, পাকিস্তানকে কত বেশি রানের লক্ষ্য দিতে পারবে বাংলাদেশ। ১২০ পেরোতে পারবেন মাহমুদউল্লাহরা?

১৫: ৪৪, নভেম্বর ১৯

নাটকীয় ওভার শেষ তাসকিনের ছক্কায়

প্রথম বলে চোখধাঁধানো স্কুপে হারিস রউফকে ছক্কা মেরেছেন মেহেদী। স্টাম্পের ওপর ফুল লেংথের বল ছিল, ডানপাশে সরে গিয়ে স্কুপ করে ফাইন লেগে বাউন্ডারির ওপারে ফেলেন মেহেদী। কিন্তু ঘটনাবহুল ওভারের সে তো শুরু!

দ্বিতীয় বলে রউফ গতিময় বাউন্সার দিলেন, সেটি লাগল মেহেদীর হেলমেটে! একদিকে মেহেদী কেমন আছেন, সেটি নিয়ে শঙ্কা, এর মধ্যে আবার ক্যাচের আবেদনও করল পাকিস্তান। বল হেলমেটে লাগার আগে মেহেদীর গ্লাভসে লেগেছে কি না, সে নিয়ে সংশয় ছিল। রিভিউতে দেখা গেল, গ্লাভসে লাগেনি।

এরপর চতুর্থ বলে মেহেদীর শট সরাসরি লাগে রউফের পায়ে। রউফের অবশ্য তাতে যেন কিছুই এসে গেল না। সেই বলে এসেছে ২ রান। পঞ্চম বলে মারতে গিয়ে ৩০ গজের ভেতরেই ক্যাচ দিয়েছিলেন মেহেদী, কিন্তু ফিল্ডার না থাকায় হলো ১ রান।

শেষ বলে তাসকিন স্ট্রাইকে। বোলার তিনি, কী করতে পারবেন, তা নিয়ে সংশয় ছিল। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে রউফকে বিশাল ছক্কা মারলেন তাসকিন! একটু পেছনে সরে স্কয়ার লেগের বাউন্ডারিতে ছক্কা মেরে ইনিংস শেষ করেন। শেষ ওভারে এসেছে ১৫ রান!

১৫: ৫২, নভেম্বর ১৯

শেষ দশ ওভারে ৮৭ রান করেছে বাংলাদেশ

প্রথম দশ ওভারই শেষ করল বাংলাদেশকে! সে সময়ে ৪ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪০ রান করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ দশ ওভারে আফিফের পর নুরুল ও মেহেদীর ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ পেল ৮৭ রান। পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে এসে ইনিংসে প্রথম বাউন্ডারি পাওয়া বাংলাদেশ প্রথম দশ ওভারে চার-ছক্কা বলতে পেয়েছিল শুধু দুটি চার, ছক্কা ছিল না। ইনিংস শেষে চার ৩টি, ছক্কা ৭টি।

যা-ই করেছে বাংলাদেশ, তার কৃতিত্ব যাবে আফিফ, নুরুল ও মেহেদীর দিকে। ২ ছক্কা ও ২ চারে আফিফের ৩৪ বলে ৩৬ রানের ইনিংসটা বাংলাদেশের ইনিংসে পাল্টা আক্রমণের কিছুটা আশা জাগিয়েছে। এরপর নুরুল ২ ছক্কায় করলেন ২২ বলে ২৮ রান। শেষ দিকে মেহেদীর ব্যাটেই ১২০ পেরোতে পেরেছে বাংলাদেশ। ১ চার ও ২ ছক্কায় ২০ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত ছিলেন মেহেদী। এই তিনজনের বাইরে আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কই পেরোতে পারেননি। শেষ বলে তাসকিনের ছক্কা বাদ দিলে ওই তিনজনই বাংলাদেশ ইনিংসের বাকি চার-ছক্কাগুলো মেরেছেন।

১৫: ৫৪, নভেম্বর ১৯

পাকিস্তানকে ভোগাতে পারবে বাংলাদেশ?

টসের সময় পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর বলেছিলেন, তিনিও টস জিতলে আগে বোলিংই নিতেন। বাংলাদেশকে ১৪০ রানের মধ্যেই আটকে দেওয়ার কথা বলেছিলেন বাবর। পাকিস্তান বাংলাদেশকে আটকে দিল ১২৭ রানে। এ রান নিয়ে কতটা লড়াই করতে পারবে বাংলাদেশ? পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের ভোগাতে পারবে?

১৫: ৫৬, নভেম্বর ১৯

ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান

১২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমেছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। প্রথম ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে শুরুটা ভালো করেছেন স্পিনার মেহেদী হাসান।

১৬: ০২, নভেম্বর ১৯

ক্যাচ তুলেছিলেন বাবর

দ্বিতীয় ওভারেই পেসার। তাসকিন আহমেদের দ্বিতীয় বলে শর্ট মিডউইকেটে ক্যাচ তুলেছিলেন বাবর। তাসকিনের বাড়তি বাউন্স সামলাতে পারেননি তিনি। বল ফাঁকা জায়গায় পড়ায় ফিল্ডার ক্যাচটা নিতে পারেননি।

চতুর্থ বলে রিজওয়ানের মসৃণ কাভার ড্রাইভে ওই ওভারের চাপ কাটিয়ে ওঠে পাকিস্তান। পাকিস্তান ২ ওভার শেষে বিনা উইকেটে ১৩।

১৬: ০৯, নভেম্বর ১৯

বোল্ড!

দুর্দান্ত ভেতরে ঢোকানো ডেলিভারি! তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলটি ভেতরে ঢুকিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি এ পেসারের বলটা বুঝতে পারেননি রিজওয়ান। অফ স্টাম্প উপড়ে তাঁকে ড্রেসিং রুমে ফেরত পাঠালেন মোস্তাফিজ (১১ বলে ১১)। ৩ ওভার শেষে পাকিস্তান ১ উইকেটে ১৬।

default-image
১৬: ১৬, নভেম্বর ১৯

আবারও বোল্ড!

এবার বাবর আজম! তাসকিন আহমেদকে থার্ডম্যানে খেলতে গিয়ে বল স্টাম্পে টেনে আনেন পাকিস্তান অধিনায়ক। ১০ বলে ৮ রান করে ফিরলেন তিনি। ৪ ওভার শেষে পাকিস্তান ২ উইকেটে ২২।

default-image
১৬: ২১, নভেম্বর ১৯

টানা তিন ওভারে তিন উইকেট!

লড়াইয়ে ফিরল বাংলাদেশ। টানা তিন ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পাকিস্তান। পঞ্চম ওভারে মেহেদীকে সুইপ করতে গিয়ে বল ব্যাটে লাগাতে পারেননি হায়দার আলী (০)। পেছনের পায়ে বল লাগায় আবেদন করেন বোলার মেহেদী হাসান। আম্পায়ার আউট দিলেও রিভিউ নিয়েছিল পাকিস্তান। তৃতীয় আম্পায়ারও আউট দেওয়ায় একটি রিভিউ নষ্ট হলো পাকিস্তানের। ৫ ওভার শেষে পাকিস্তান ৩ উইকেটে ২৩।

default-image
১৬: ২৮, নভেম্বর ১৯

পাওয়ারপ্লে–তে সমানে সমান

পাওয়ার প্লে–র ৬ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ২৫ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তান এগোচ্ছে তার চেয়েও বাজেভাবে। ৬ ওভার শেষে পাকিস্তান ৪ উইকেটে ২৪।

১৬: ৩৩, নভেম্বর ১৯

সোহানের উপস্থিত বুদ্ধির শিকার শোয়েব মালিক!

নুরুল হাসান সোহানকে কেন বাংলাদেশের সেরা উইকেটকিপার বলা হয়? অনেক কারণের মধ্যে একটি হলো, ব্যাটসম্যান শট খেলার পর ক্রিজের ভেতরে আছেন কি না. সেটাও খেয়াল করেন তিনি। ৬ষ্ট ওভারে মোস্তাফিজের বল খেলে দাগের বাইরে চলে গিয়েছিলেন শোয়েব। নুরুল হাসান পেছন থেকে থ্রো করে স্টাম্প ভাঙেন। তৃতীয় আম্পায়ার দেখার পর শোয়েবকে রান আউট ঘোষণা করেন।

বর্তমান ক্রিকেটে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের একজন শোয়েব মালিক। তাঁর এমন আউট হওয়া বালকসুলভ। ৩ বলে কোনো রান না করেই আউট হলেন ৩৯ বছর বয়সী এ ব্যাটসম্যান। উইকেটে এখন ফখর জামান ও খুশদিল শাহ।

default-image
১৬: ৪৪, নভেম্বর ১৯

পাকিস্তানের রানের চাকা আটকে রাখছে বাংলাদেশ

২০ ওভারে ১২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমেছে পাকিস্তান। এমনিতে যেকোনো উইকেটে লক্ষ্যটা সহজই। স্বাভাবিক ব্যাটিং করলেই হয়। কিন্তু পাকিস্তানকে তা করতে দিচ্ছে না বাংলাদেশের বোলাররা। ৯ ওভার শেষে পাকিস্তান ৪ উইকেটে ৩৮। বাকি ১১ ওভারে (৬৬ বলে) ৮৯ রান দরকার পাকিস্তানের। ওভারপ্রতি ৮.১৮ করে রান চাই পাকিস্তানের। লক্ষ্যটা এখন আগের চেয়ে কঠিন।

১৬: ৫১, নভেম্বর ১৯

মেহেদীর প্রান্ত থেকে শরীফুল

৪ ওভারে ১৭ রানে ১ উইকেট নিয়ে নিজের কোটা শেষ করেছেন স্পিনার মেহেদী হাসান। তাঁর জায়গায় বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামকে আক্রমণে এনেছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। আগের ওভারে নিজে বল করে ২ রান দেন মাহমুদউল্লাহ। ১১ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪৮।

১৬: ৫১, নভেম্বর ১৯

লড়াইয়ে ভালোভাবেই টিকে আছে বাংলাদেশ 

৪০ রানের নিচে প্রতিপক্ষের ৪ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ এর আগে মাত্র একবারই হেরেছে। সেটি ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

আজ ৬ ওভারে পাকিস্তানের ৪ উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে পাকিস্তানের রান তখন ২৪।

১১ ওভার শেষে পাকিস্তান ৪ উইকেটে ৪৮। জয়ের জন্য ৫৪ বলে ৮০ রান দরকার পাকিস্তানের।

default-image
১৭: ০৩, নভেম্বর ১৯

তাসকিনের বাজে ওভার

১৩তম ওভারে ১১ রান দিয়ে ম্যাচটা আলগা করে দিলেন তাসকিন আহমেদ। দুটি চার মেরেছেন ফখর জামান। পাকিস্তান ১৩ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ৬৬।

১৭: ০৬, নভেম্বর ১৯

ফখর–খুশদিলের জুটিতে সওয়ার পাকিস্তান

১৪ ওভার শেষে পাকিস্তান ৪ উইকেটে ৭৬। জয়ের জন্য ৩৬ বলে ৫২ রান দরকার পাকিস্তানের। পঞ্চম উইকেটে ৪৮ বলে ৫২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ফখর জামান ও খুশদিল শাহ। ৩৪ বলে ৩০ রানে অপরাজিত ফখর।

১৭: ১২, নভেম্বর ১৯

তাসকিনের শিকার ফখর

মেজাজ চড়া হচ্ছিল ফখরের। মারার চেষ্টা করছিলেন। ১৫তম ওভারে তাসকিনকে তুলে মারতে গিয়ে উইকেটের পেছনে নুরুল হাসানকে ক্যাচ দেন ফখর। ৩৬ বলে ৩৪ রান করা ফখর বিপজ্জনক হয়ে উঠছিলেন। ৪টি চার মারেন তিনি।

১৫ ওভার শেষে পাকিস্তান ৫ উইকেটে ৮২। ৩০ বলে ৪৬ রান দরকার পাকিস্তানের। উইকেটে শাদাব খান ও খুশদিল শাহ (২৩*)।

৪ ওভারে ৩১ রানে ২ উইকেট নিয়ে নিজের বোলিংয়ের কোটা শেষ করলেন তাসকিন।

default-image
১৭: ২১, নভেম্বর ১৯

২৪ বলে ৩৮ রান দরকার পাকিস্তানের

১৬তম ওভারে ৮ রান দেন মোস্তাফিজুর রহমান। শেষ ৪ ওভারে জয়ের জন্য ৩৮ রান চাই পাকিস্তানের। বাংলাদেশ কি পারবে তার আগেই পাকিস্তানকে আটকে রাখতে?

১৭: ২৬, নভেম্বর ১৯

উইকেট এনে দিলেন শরীফুল!

১৭তম ওভারে শরীফুল ইসলামকে মারতে গিয়ে উইকেটের পেছনে নুরুল হাসানকে ক্যাচ দেন খুশদিল। ৩৫ বলে ৩৪ রান করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলল বাংলাদেশ। ১৭ ওভার শেষে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ৯৬।

জয়ের জন্য শেষ ৩ ওভারে (১৮ বলে) ৩২ রান চাই পাকিস্তানের। উইকেটে শাদাব খান ও মোহাম্মদ নওয়াজ।

১৭: ৩২, নভেম্বর ১৯

মোস্তাফিজের বাজে ওভারের সুবিধা নিল পাকিস্তান

নিজের কোটার শেষ ওভারটি ভালো করতে পারলেন না মোস্তাফিজুর রহমান। ১৮তম ওভারটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ডেথ ওভারে মোস্তাফিজ সেরা বলেই তাঁর হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। প্রথম বলটাই বাজে লাইনে করায় চার তুলে নেন শাদাব। এক বল পর আরও বাজে ডেলিভারিতে ছক্কা! শেষ বলেও চার!

মোট ১৫ রান দিয়ে পাকিস্তানের ওপর চেপে বসা চাপ আলগা করে দিলেন মোস্তাফিজ। ১৮ ওভার শেষে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১১১। ১২ বলে দরকার ১৭ রান।

৪ ওভারে ২৬ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ।

১৭: ৩৮, নভেম্বর ১৯

শরীফুল–মোস্তাফিজের খাটো লেংথের মাশুল দিল বাংলাদেশ

আগের ওভারে মোস্তাফিজ খাটো লেংথে বল করে ছক্কা হজম করেন। বলে গতি না থাকায় মারতে সুবিধা হয়েছে শাদাবের। ১৯তম ওভারে শরীফুলও সেই একই ভুল করলেন। খাটো লেংথে বল করায় নওয়াজ হাঁকালেন দুটি ছক্কা। শরীফুলও এই ওভারে ১৫ রান দিলেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২ রান চাই পাকিস্তানের।

১৭: ৪১, নভেম্বর ১৯

শেষ ওভারে আমিনুল ইসলাম!

পাকিস্তানের ইনিংসে লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলামকে আগে ব্যবহার করেননি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। শেষ ওভারে ৬ বলে ২ রানের সমীকরণে তাঁর হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক। শাদাব তাঁর দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরে ৪ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন পাকিস্তানের। ১০ বলে ২১ রানে অপরাজিত ছিলেন শাদাব। ২টি ছক্কা ও ১টি চার মারেন তিনি। ৮ বলে অপরাজিত ১৮ রান করেন নওয়াজ। তিনিও ২টি ছক্কা ও ১টি চার মারেন।

১৭: ৪৫, নভেম্বর ১৯

শেষ ৫ ওভারে বাজে বোলিংয়ে হার বাংলাদেশের

জিততে শেষ ৫ ওভারে ৪৬ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। হাতে ৫ উইকেট। খুশদিল শাহ ও শাদাব তেমন ডাকাবুকো ব্যাটসম্যান না হলেও এখান থেকে ম্যাচ বের করতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচ টি–টোয়েন্টি সিরিজে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। কাল শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ।

বাংলাদেশের হয়ে ৩১ রানে ২ উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ। ২৬ রানে ১ উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান। ৩১ রানে ১ উইকেট শরীফুলের। বাঁহাতি এ দুই পেসার শেষে মোটেও ভালো করতে পারেননি।

পাকিস্তান ১৮ বলে ৩২ রানের কঠিন সমীকরণে পিছিয়ে থাকতে ১৮তম ওভারে ১৫ রান দেন মোস্তাফিজ। পরের ওভারে শরীফুলও দেন ১৫ রান। ব্যাটসম্যানরা ভালো বল মারলে তবু কথা ছিল, দুই পেসারই নিজেদের শেষ ওভারে বাজে লাইন–লেংথে বল করেন। তার মাশুল গুণে হারল বাংলাদেশ।

default-image