বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে গড়া এই দল বিশ্বকাপে ভালো করবে, সংবাদ সম্মেলনে এমন আশার কথা জানান প্রধান নির্বাচক। তিনি বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচকেরা এই দলকে নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। ধারাবাহিকভাবে আমরা তিনটি সিরিজ জিতেছি। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীতে ঘরের মাঠে আমরা সাদা বলের ক্রিকেটের সব সিরিজই জিতেছি। বিশ্বকাপেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাচ্ছি। আশা করি দল ভালো করবে।’

টানা জিততে থাকায় দলের মধ্যে এখন যে আত্মবিশ্বাস আছে, সেটি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে সাহায্য করবে। মিনহাজুলের এমনই বিশ্বাস, ‘যে কোনো সংস্করণেই জয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জয় দলের আত্মবিশ্বাস সব সময়ই বাড়িয়ে দেয়। হারতে থাকলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। জয়ের অভ্যাস, আত্মবিশ্বাস কাজে লাগবে।’

তবে প্রশ্ন উঠছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে ঘরের মাঠের কন্ডিশনে জেতা সিরিজ ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে কতটা কাজে আসবে। মিনহাজুলের কাছে ছিল সে উত্তরও, ‘ওমানে আমরা কখনো ক্রিকেট খেলিনি। সেখানে কি পরিকল্পনায় খেলব সেটা ওমান গেলে বোঝা যাবে। না যাওয়া পর্যন্ত প্রস্তুতির ব্যাপারে আগাম কিছু বলা মুশকিল।’

এ ছাড়া বিশ্বকাপ দলে মাহমুদউল্লাহ, সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের মতো অভিজ্ঞদের সঙ্গে তামিম ইকবালকেও দলে না পাওয়ার আক্ষেপ ছিল মিনহাজুল, ‘তামিম তিন সংস্করণেই আমাদের সেরা ক্রিকেটারদের একজন। আমরা তাঁকে বিশ্বকাপে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু পাইনি। এটা আমাদেরও দুর্ভাগ্য। আমরা তাঁকে মিস করব। তবে এটা বাকি ওপেনারদের জন্য দারুণ সুযোগ নিজেদের বড় মঞ্চে চেনানোর।’

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন