বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেরা একাদশে টপ অর্ডারে আছেন বিশ্বকাপের প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট ডেভিড ওয়ার্নার, ইংল্যান্ডের জস বাটলার ও পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ফাইনালসহ মোট ৩টি ফিফটি করেছেন ওয়ার্নার। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৩০৩ রান করেছেন বাবর। অন্যদিকে এ আসরে একমাত্র সেঞ্চুরিটি এসেছে বাটলারের ব্যাট থেকে, যাকে রাখা হয়েছে উইকেটকিপার হিসেবেও। এ তিনজনের দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে জায়গা হয়নি পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ানের। বিশপের মতে, ‘ওপেনিং পজিশনের বাইরে তাকে জায়গা করে দেওয়া সম্ভব হয়নি।’

default-image

মিডল অর্ডারে আছেন শ্রীলঙ্কার চারিত আসালাঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মার্করাম। অলরাউন্ডার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও ইংল্যান্ডের মঈন আলী। তরুণ আসালাঙ্কা ও মার্করামের পারফরম্যান্সে ‘মুগ্ধ’ হয়েছেন নির্বাচকেরা, জানিয়েছেন বিশপ। তিনি বলেছেন, ব্যাটসম্যান হিসেবে রান ও স্ট্রাইক রেটের সঙ্গে ম্যাচে ‘ইমপ্যাক্ট’ বা ‘প্রভাব’-এর কথা বিবেচনা করেছে নির্বাচক প্যানেল। সুপার টুয়েলভ থেকে পারফরম্যান্স বেশি বিবেচনায় আনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

দেখে নিন সেরা একাদশে সুযোগ পাওয়াদের পারফরম্যান্স

তিনজন পেসারের জায়গা নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার জশ হ্যাজলউড, নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট ও দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিখ নর্কিয়া। তাঁদের সঙ্গে সুযোগ পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। পাকিস্তান ফাস্ট বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদিকে রাখা হয়েছে দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে।

শেষ পর্যন্ত কেন প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হিসেবে ওয়ার্নারকে বেছে নেওয়া হয়েছে, সেটিও ব্যাখ্যা করেছেন বিশপ, ‘বাবর আজম, জস বাটলার ও অ্যাডাম জাম্পা শক্তিশালী বিকল্প হতে পারতেন। তবে দিনশেষে টুর্নামেন্ট ও নক-আউট পর্বে ওয়ার্নারের প্রভাবের কারণেই তাঁকে বেছে নেওয়া হয়েছে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন