আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মাত্র দুবার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা। দুবারই জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সামগ্রিকভাবেও দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে
বাংলাদেশ
মোট ম্যাচ ৪২
১ ফল
হয়নি
১২ জয়
২৯ হার
সর্বোচ্চ স্কোর ১৯০/৫। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বেলফাস্টে ২০১২ সালে। ১৪ বার ১৫০ পেরোতে পেরেছে বাংলাদেশ। এক শর নিচে অলআউট হয়েছে তিনবার।
সবচেয়ে বেশি ৮০৯ রান সাকিব আল হাসানের। পাঁচ শর বেশি রান করেছেন আরও দুজন—তামিম ইকবাল (৭১৬) ও মুশফিকুর রহিম (৫২২)।
একটিও সেঞ্চুরি নেই বাংলাদেশের। হাফ সেঞ্চুরি ২০টি। সর্বোচ্চ ৮৮ তামিমের।
সর্বোচ্চ ৪৪টি করে উইকেট নিয়েছেন দুজন—সাকিব ও আবদুর রাজ্জাক। সেরা বোলিং ইলিয়াস সানির—৫/১৩, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বেলফাস্টে ২০১২ সালে।
সর্বোচ্চ জুটি ১৩২ রানের, তামিম ও মাহমুদউল্লাহর। বাংলাদেশের পক্ষে সেঞ্চুরি জুটির সংখ্যা ৫।
দক্ষিণ আফ্রিকা
মোট ম্যাচ ৭৬
১ ফল হয়নি
৪৪ জয়
৩১ হার
সর্বোচ্চ স্কোর ২৪১/৬। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরিয়নে ২০০৯ সালে। ৬টি ২০০ পেরোনো স্কোর আছে প্রোটিয়াদের, ১৫০ পেরোনো ৩১টি। সর্বনিম্ন স্কোর ১০০।
সবচেয়ে বেশি ১৪০৬ রান জেপি ডুমিনির। পাঁচ শর বেশি রান আছে আরও সাত ব্যাটসম্যানের।
সর্বোচ্চ ১১৯ রানের ইনিংসটি ফ্যাফ ডু প্লেসির। এর বাইরে সেঞ্চুরি আছে মরনে ফন উইক ও রিচার্ড লেভির।
সবচেয়ে বেশি ৫৫ উইকেট ডেল স্টেইনের। বাংলাদেশ সফরের টি-টোয়েন্টি দলে সবচেয়ে বেশি ৩৬ উইকেট ওয়েইন পারনেলের। সেরা বোলিং রায়ান ম্যাকলরেনের—৫/১৯।
সর্বোচ্চ জুটি ১৭০ রানের, গ্রায়েম স্মিথ ও লুটস্ বসম্যানের। সেঞ্চুরি জুটি ১০টি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0