মুশফিকের রিভার্স সুইপ নিয়ে মাহমুদ বললেন, ‘মুশির শটটা অবশ্যই প্রত্যাশিত না। আমরা এমন কিছু অবশ্যই দেখতে চাই না। আমরা ফলো অন থেকে ৪৩ রান দূরে ছিলাম। সে আমাদের সর্বশেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান ছিল। খুবই অপ্রত্যাশিত। টেস্ট ম্যাচের এমন একটা সময়ে এই শট খেলব, অবশ্যই আমরা কিছু আশা করি না। ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টিতে এটা হতে পারে, যেহেতু খেলাটা রানের। কিন্তু টেস্টে এমন অবস্থায় কেন এমন শট খেলল? ভালো ব্যাটিং করতে করতে সে যেন খেলাটা ছেড়ে দিল।’

এই ম্যাচ নিয়ে অনুমিতভাবেই আশাবাদী হওয়ার মতো কিছু খুঁজে পেলেন না মাহমুদ, ‘তৃতীয় দিন শেষে অবশ্যই ভালো বলব না। গত তিন দিন দক্ষিণ আফ্রিকার তুলনায় আমরা আমাদের সব বিভাগেই পিছিয়ে ছিলাম।’ বাস্তবতা হলো, ডারবান টেস্টে হারের পর পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টের ভাগ্যাকাশেও হার ছাড়া অন্য কিছু দেখা যাচ্ছে না। তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ পিছিয়ে ৩৮৬ রানে, হাতে আছে ৭ উইকেট।

দলের এমন অবস্থায় মাহমুদের কথায়ও ‘সিরিজ শেষ’–এর আভাস পাওয়া গেল। খর্ব শক্তির দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের মাটিতে টেস্টে হারানোর সুযোগ বাংলাদেশ হাতছাড়া করল কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে মাহমুদ বললেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই। তবে আমি এই দক্ষিণ আফ্রিকাকে খারাপ দল বলব না। কারণ এই দলে অনেক ভালো ক্রিকেটার আছে। খুবই হতাশাজনক যে, আমরা স্পিনে আউট হয়েছি। এটাই হতাশাজনক। আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম টেস্টের ফলাফলটা ভালো হবে। কারণ আমরা পরিকল্পনাটা ভালোমতো বাস্তবায়ন করতে পারিনি।’