বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ পুরস্কারে কনওয়ে পেছনে ফেলেছেন তাঁর কিউই সতীর্থ কাইল জেমিসন ও প্রোটিয়া উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কককে। জেমিসন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের ম্যাচসেরা ছিলেন। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দারুণ এক সময় গিয়েছিল ডি ককের।

default-image

আইসিসির এমন স্বীকৃতি পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত কনওয়ে, ‘এ পুরস্কার পেয়ে সম্মানিত বোধ করছি। টেস্ট ক্রিকেটের পারফরম্যান্সের কারণে এটি পেয়েছি, ফলে এর বিশেষত্বটা আরও বেশি।’

কনওয়ে জানিয়েছেন এ মাসের পারফরম্যান্সকে ভুলবেন না, ‘লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করা স্বপ্ন পূরণ হওয়ার মতো ব্যাপার। ভারতের বিপক্ষে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল জয়ে অবদান রাখার ঘটনার দিকেও ভবিষ্যতে ফিরে তাকাব।’

default-image

কনওয়ের মতো একলস্টোনের ক্ষেত্রেও বিবেচ্য হয়েছে ভারতের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের একমাত্র টেস্টে তাঁর পারফরম্যান্স। রোমাঞ্চকর ড্রয়ে শেষ হওয়া সে টেস্টে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন একলস্টোন। এরপর সে মাসে হওয়া দুই ওয়ানডেতেও তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন তিনি। একলস্টোন এ পুরস্কার জিতেছেন ভারতের শেফালি ভার্মা ও স্নেহ রানাকে পেছনে ফেলে।

গত মাসে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ছেলেদের বিভাগে এ পুরস্কার জিতেছিলেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশি উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান পেছনে ফেলেছিলেন পাকিস্তানের হাসান আলী ও শ্রীলঙ্কার প্রভিন জয়াবিক্রমাকে।

এ বছর থেকেই প্রতি মাসের জন্য একজন করে ছেলে ও মেয়ে ক্রিকেটারকে বাছাই করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে আইসিসি। প্রথমে তিনজনের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে নির্বাচন করা হয় একজনকে। আইসিসির একটা ভোটিং প্যানেলের সদস্যদের থাকে ৯০ শতাংশ ভোট, বাকি ১০ শতাংশ ভোট দিতে পারেন সমর্থকেরা। প্রতি মাসের দ্বিতীয় সোমবার ঘোষণা করা হয় এ পুরস্কার।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন